সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

Select your Top Menu from wp menus

হংকং নিরাপত্তা আইন: যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ

এসবিনিউজ ডেস্ক: হংকংয়ের জাতীয় নিরাপত্তা আইন চীনের সংসদে অনুমোদনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো এক যৌথ বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া।

বিবৃতিটিতে স্বাক্ষর করেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব ডমিনিক রাব, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরিস পেইন, কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাঙ্কোইস-ফিলিপ চ্যাম্পেগনে এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল পম্পেও।

তারা বলছে, এই পদক্ষেপ “একটি দেশ, দুটি ব্যবস্থা” কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং যা জাতিসংঘের নিবন্ধিত চীন-ব্রিটিশ যৌথ ঘোষণাপত্রের আইনগত বাধ্যবাধকতার সঙ্গে সরাসরি বিরোধ সৃষ্টি করেছে। তারা আরও বলেছে, এই আইনের ফলে হংকংয়ের স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার হংকংয়ে নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইন করার প্রস্তাব করেছে চীনের সংসদ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি (নতুন আইন) রাজনৈতিক অপরাধে বিচারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করবে এবং হংকংয়ের জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য বিদ্যমান প্রতিশ্রুতিগুলিকে লঙ্ঘন করবে। যার মধ্যে রয়েছে- নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক।

১৯৮৮ সালের ১৯ ডিসেম্বরে বেইজিংয়ে তৎকালীন চীন ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হংকং নিয়ে চীন-ব্রিটিশ যৌথ ঘোষণাপত্রটি স্বাক্ষর করে। । দুই সরকার একমত হয়েছিল যে, ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই থেকে চীন আবারও হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ শুরু করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই পদক্ষেপটি নিয়ে আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। এ আইন হংকংয়ে সমাজে বিদ্যমান বিভাজনকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। এছাড়াও এই আইন হংকংয়ে পারস্পারিক সমঝোতা এবং পুনর্মিলনকে উত্সাহিত করে না।

আরও বলা হয়, গতবছর পর্যন্ত হংকংয়ের সমাজজুড়ে আস্থা পুনর্নির্মাণ করে এই অঞ্চলটিকে উত্তেজনা ও অস্থিরতা থেকে ফিরেয়ে আনা হয়েছিল কেবল মাত্র একটি উপায়ে। আর তা হল জনগণকে যে অধিকার ও স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল সেগুলো ভোগ করার সুযোগ দিয়ে। টরেন্টো সান টাইমস, এএনআই।

Related posts