শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩ ❙ ১৪ মাঘ ১৪২৯

সুবিধা পাবে ৫ কোটি লোক

  • ৫০ লাখ রেশন কার্ড দেয়া হচ্ছে, আরও ৫০ লাখ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছি
  • সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী
  • সাহসের সঙ্গে করোনা মোকাবেলার আহ্বান
  • মানুষ যাতে কষ্ট না পায় সে জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে

এসবিনিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা ভয়ভীতি নয় সাহসের সঙ্গে করোনায় সৃষ্ট সঙ্কট মোকাবেলার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ঝড়-ঝঞ্ঝা, দুর্যোগ আসবেই, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সাহসের সঙ্গে আমাদের এসব মোকাবেলা করতে হবে। এই করোনা সঙ্কট ঠিক কতদিন চলবে তা বিশ্বের কারোর জানা নেই। বিশ্বের অনেকেই করোনার কারণে যে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা করছে, বাংলাদেশে যাতে দুর্ভিক্ষ না হয়- সেজন্য ইতোমধ্যে আমরা তিন বছর মেয়াদী বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে বাস্তবায়ন করছি। আমাদের দেশে খাদ্যের কোন অভাব নেই। এই সঙ্কটকালে মানুষের জীবন যাতে চলে এবং সবাই সুরক্ষিত থাকে সেই ব্যবস্থা নিয়েছি। দেশের একটি মানুষও যেন খাদ্যের অভাবে কষ্ট না পায় সেজন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সংসদ সদস্য, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই স্বাস্থ্যবিধি এবং নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন, অযথা বাইরে ঘোরাঘুরি করবেন না। নিজেরা সুরক্ষিত থাকুন, অন্যদেরও সুরক্ষিত রাখুন। অন্যদের জীবন যেন ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে। আর ১০ টাকা কেজি দরে চালের জন্য ৫০ লাখ রেশন কার্ড দেয়া হচ্ছে। আরও ৫০ লাখ রেশন কার্ড প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছি। এতে একটি পরিবারে ৫ জন সদস্য থাকলেও সে হিসাবে এই রেশন কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষ সুবিধা পাবে। দেশ যেন দ্রুত এই সঙ্কট থেকে মুক্তি পায়, স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে সেজন্য দেশের মানুষকে আল্লাহর দরবারে দোয়া প্রার্থনার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের ইতিহাসের স্বল্পতম সপ্তম অধিবেশনে উত্থাপিত শোক প্রস্তাব এবং সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্পীকার শোক প্রস্তাবটি উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। চলতি সংসদের সংসদ সদস্য সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরিফ ডিলুসহ করোনাভাইরাসে নিহত সবার রুহের মাগফিরাত কামনা করে সবাই নিজ নিজ আসনে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং মোনাজাতে অংশ নেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন ডেপুটি স্পীকার এ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া। করোনা পরিস্থিতির কারণে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় ৬০ দিনের মাথায় এবারের অধিবেশন বসে। টানা সোয়া এক ঘণ্টা চলার পর অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন স্পীকার। এটি দেশের সংসদীয় ইতিহাসে বিরল ঘটনা। শুরুর দিনেই শেষ হয় সংসদ অধিবেশন।

করোনার কারণে দেশের অর্থনীতির নেতিবাচক পরিস্থিতি মোকাবেলায় আগামী তিন বছরের জন্য গৃহীত পরিকল্পনা এবং ৯৫ হাজার ৬১৯ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কতদিন এই অবস্থা চলবে, বিশ্বের কেউই তা বলতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, দেশের অর্থনীতি যাতে গতিশীল ও প্রাণসঞ্চার হয় এবং অর্থনীতির নেতিবাচক দিকগুলো যাতে মোকাবেলা করতে পারি সেজন্য বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। বড় শিল্প থেকে ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্প, গার্মেন্টস, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ খেটে-খাওয়া মানুষ, দিনমজুর সবার কথা বিবেচনা করে এসব প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। মানুষ যেন খাদ্য কষ্ট না পায়, যারা হাত পাততে পারে না তাঁদের খুঁজে বের করে তাদের ঘরে খাদ্যসহ অন্যান্য সহযোগিতা পৌঁছে দিতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তবে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একখ- জমিও যেন অনাবাদি না থাকে সেজন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংসদ নেতা বলেন, আমাদের উপাদন বাড়াতে হবে। মাত্র শতকরা ৪ ভাগ সুদে কৃষি ঋণ দেয়া হচ্ছে। সার-বীজসহ সবকিছু সরবরাহ করা হচ্ছে। যারা দিনমজুর তারা যেন ধান কাটতে যেতে পারেন সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে ছাত্র-শিক্ষকসহ সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, বিশেষ করে দেশের ছাত্ররাও দেশের এই সঙ্কটকালে ধান কাটার কাজে সহযোগিতা করতে পারে। আমরা যদি ধানগুলো কেটে সঠিকভাবে ঘরে তুলতে পারি তবে দেশে কোন খাদ্য সঙ্কট হবে না। সবাই যে যেভাবে পারেন কিছু ফসল উপাদন করুন, যাতে আমাদের খাদ্য সঙ্কট না হয়- বরং অন্য দেশকে আমরা এ সময় সহযোগিতা দিতে পারি।

বারবার সতর্ক করার পরও মানুষের স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলায় অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় দেশের মানুষ একটু বেশিই সাহসী হয়ে গেছে। এই ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়। অথচ অনেকে ঘরে না থেকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাচ্ছেন, অনেকে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়ে সেসব জায়গাকে সংক্রমিত করছেন। আমরা ঘরে থাককে অনুরোধ করছি, কিন্তু দেখছি অনেকে অযথাই বাইরে গিয়ে আড্ডা দিচ্ছে, গল্প করছে- স্বাস্থ্যবিধি মানতেই চাইছে না। এটা সত্যিই দুঃখজনক। তাই সবার প্রতি অনুরোধ, যে যেখান আছেন, সেখানেই থাকুন। ঘরে থাকলে ভাইরাসটি বিস্তার লাভ করতে পারবে না। একজন মানুষ থেকে যতটা দূরত্ব রাখতে পারবেন, ততই ভাল। কারণ শুধু নিজে নয়, সবাইকে সুরক্ষিত রাখতে হবে।

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও নির্দেশনাগুলো মেনে চলার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের চিকিসার সকল খরচ সরকারীভাবে বহন করা হচ্ছে। করোনার নমুনা সংগ্রহ থেকে শুরু করে সকল চিকিসা খরচ সরকারীভাবে আমরা করে যাচ্ছি। এখানে পরীক্ষা করা থেকে যাদের পরীক্ষা করা হয়, তাদের কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা নেয়া হয় না। সব ধরনের খরচ সরকার বহন করছে।

তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকল ব্যবস্থাপনা আমরা নিচ্ছি। আমরা প্রত্যেকটা জায়গায় বিশেষ করে স্থলবন্দর, বিমানবন্দর, নৌবন্দরসহ সব জায়গায় করোনা পরীক্ষার জন্য থার্মাল স্ক্যানার ও ইনফারেড থার্মোমিটারের মাধ্যমে স্কিনিং করা শুরু করেছি। এছাড়া স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে সকল সেক্টরকে অন্তর্ভুক্ত করে একটা জাতীয় কমিটি করে দিয়েছি। করোনা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংস্থা থেকে সহায়তা করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউকেএইড, ইউএসএইডসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে।

করোনার নমুনা সংগ্রহে কিটের কোন সঙ্কট নেই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত আমরা ৯২ হাজার পরীক্ষার কিট সংগ্রহ করেছি। তার মধ্যে থেকে ২০ হাজার কিট বিতরণ করা হয়েছে এবং ৭২ হাজারের মতো কিট এখনও মজুদ রয়েছে। কিট সংগ্রহ প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। কাজেই করোনা পরীক্ষায় কিটের কোন অভাব হওয়ার কোন লক্ষণ নেই। আর প্রতি জেলার হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ স্থাপনের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ দিবসের কর্মসূচী স্থগিতের কথা উল্লেখ করে বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে সংসদে বিশেষ একটি অধিবেশন বসার কথা ছিল। মুজিববর্ষ পালনের জন্য বিশাল প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছিল। কারণ একমাত্র আমরা দুই বোন ছাড়া ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সব সদস্যকে হারিয়েছি। তাই মুজিববর্ষ পালনের সুযোগটা ছিল আমাদের জন্য সত্যিই বিরল সুযোগ। কিন্তু সারাবিশ্বে দেখা দেয়া করোনার কারণে সবকিছু কর্মসূচী আমাদের বন্ধ করতে হয়েছে। কারণ দেশের মানুষের মঙ্গল ও কল্যাণই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় কথা। আর এই রোগটা মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়। তাই মানুষ যাতে সুরক্ষিত থাকে, ভাইরাসটি যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য সকল কর্মসূচি আমরা স্থগিত করে রেডিও-টেলিভিশনসহ ডিজিটাল মাধ্যমে সামান্যভাবে পালন করেছি।

করোনাভাইরাসে নিহত সকলের রুহের মাগফিরাত কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরে এই রোগটা চীনে প্রথম দেখা দেয়ার পর থেকেই আমরা প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করি। অতীতে আমরা অনেক দুর্যোগ মোকাবেলা করেছি, কিন্তু অদৃশ্য এই ভাইরাসের বিশ্বব্যাপী এমন ঝড় উঠবে তা কল্পনারও অতীত ছিল। আর এই ভাইরাস মোকাবেলার অতীত কোন অভিজ্ঞতাও আমাদের ছিল না। তবুও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা এবং আমাদের নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা নিয়ে আমরা ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করি। স্কুল-কলেজ, গণপরিবহন, বিমানে চলাচল বন্ধ করে দেই। চিকিসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনীসহ নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষের চিকিসা নিশ্চিত এবং খাদ্য পৌঁছে দিতে তিনটি হটলাইন সার্বক্ষণিক কাজ করছে। হটলাইনের মাধ্যমেই ঘরে বসে মানুষ চিকিসাসেবা নিতে পারছে। আর জেলা-উপজেলা-ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যন্ত কমিটি গঠন করে কষ্টে থাকা মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ভাইরাসটি কতদিন থাকবে, ঠিক কবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে- তা বিশ্বের কেউই বলতে পারছে না। অনেকে বলে শীত থাকলে বেশি হয়, আবার কেউ বলে গরমেও থাকে। বিশ্বের এত শক্তিশালী দেশ, কত শক্তিশালী অস্ত্রের অধিকারী- এসব কিছুই কাজে লাগছে না। অদৃশ্য এই ভাইরাসটি গোটা বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছে, গোটা বিশ্বের মানুষকে ঘরবন্দী করেছে।

সংসদ নেতা বলেন, দেশের পরিবারগুলো যেন খাদ্যের কষ্ট না পায় সেই ব্যবস্থা করেছি। আমি নিজেও অনেক সময় খবর পাই, আমার কাছে এসএমএস করে বলে আপা আমার ঘরে খাবার নেই। সঙ্গে সঙ্গে আমরা কিন্তু উদ্যোগ নেই। শুধু ওই ঘরটাই না, আশপাশের কোথাও এভাবে কেউ কষ্টে আছে কি না, যারা হয়তো পাত পাততে পারে না, তাদের ঘরে আমরা খাবার পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রীকে বলেছি- ৩৩৩ বা আমাদের হটলাইনগুলোর সঙ্গে সংযোগ রেখে এ ধরনের পরিস্থিতিতে যারা পড়বে তাদের ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করতে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, করোনার কারণে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প যেগুলো এখনই না করলেই চলে সেসব প্রকল্পের অর্থ সাশ্রয় করার উদ্যোগ নিয়েছি। সেই অর্থগুলো জনগণের কল্যাণে যেন কাজে লাগে। দেশের মানুষ যেন দুর্ভিক্ষের মুখাপেক্ষী না হয় সেটা মাথায় রখে আগামী ৩ বছর অর্থনীতিকে গতিশীল রাখার লক্ষ্য রেখেই আমরা নানা পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে মসজিদে না গিয়ে ঘরে বসেই আল্লাহর দরবারে দোয়া প্রার্থনার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের জীবন চলে আবার সুরক্ষিতও যাতে থাকে, সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সৌদি আরবে পবিত্র মদিনাতেও কার্ফু জারি করা হয়েছে। তাই মসজিদে না গিয়ে ঘরে বসেই নামাজ পড়ুন, আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করুন বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকলে যেন এই ভয়াবহ ভাইরাসের কবল থেকে মুক্ত হয়। আল্লাহর থেকে বড় শক্তি যে আর কারোর নেই, এই করোনাভাইরাসই তা প্রমাণ। তাই দেশের সকল মানুষ যাতে সুস্থ থাকে, মানুষ যেন আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে সেজন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া কামনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

সদ্য প্রয়াত সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জন্ম নিলে মৃত্যু অনিবার্য। কিন্তু কিছু মৃত্যু সবার মনে দাগ কাটে, চিহ্ন রেখে যায়। প্রয়াত এই নেতা আওযামী লীগের জন্যও একটি শক্ত পিলার ছিল। ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা এই নেতা দেশের প্রতিটি কঠিন সময়ে সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে, সার্বক্ষণিক আমার পাশে থেকে সাহস জুগিয়ে গেছেন।

Related posts