শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩ ❙ ১৪ মাঘ ১৪২৯

সাতক্ষীরা-বাগেরহাট দিয়ে বাংলাদেশে ‘ফণী’

এসবিনিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ দুর্বল হয়ে আজ সকাল ৬টার দিকে সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও যশোর দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ শেষ পর্যন্ত গতিপথ ঠিক থাকলে রাজশাহী ও রংপুর দিয়ে বাংলাদেশ অতিক্রম করতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টি ইতিমধ্যে দুর্বল হতে শুরু করেছে।
ঘূর্ণিঝড়টি ইতিমধ্যে দিক পরিবর্তন করেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। ফলে এটি উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে আঘাত হানবে না। ঘূর্ণিঝড়টি দেশের মধ্যাঞ্চল দিয়ে আঘাত হানার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
এটি বাংলাদেশে ৬ ঘণ্টা অবস্থান করতে পারে। এর পর এটি আবারও ভারতে প্রবেশ করবে।বাংলাদেশে অবস্থানের সময় এটির গতিবেগ থাকবে ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার।
শনিবার (৪ মে) সকালে আগারগাঁওয়ের আবহাওয়া অধিদফতর থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি তার দিক পরিবর্তন করেছে। এটি খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, নড়াইল, মেহেরপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী ও রংপুর হয়ে ভারত চলে যেতে পারে।
এর আগে মধ্যরাতে পুরীতে সবশেষ তাণ্ডব চালিয়ে কিছুটা দুর্বল হয়ে খড়গপুর হয়ে স্থলপথে পশ্চিমবঙ্গে ঢোকে ফণী। কমতে থাকে দাপট। পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর, নদীয়া, কলকাতাসহ কোথাও কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি বয়ে গেছে। বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। গতিপথ পরিবর্তন হওয়ায় বাংলাদেশ পর্যন্ত আসতে আসতে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে ফণী।
আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বাংলাদেশের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে এবং রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অনেক স্থানে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
বুলেটিনে বলা হয়েছে, মোংলা ও পায়রা সমুদবন্দরসমূহকে ৭ নম্বর পুনঃ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেত (পুনঃ) ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

Related posts