বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০ | ১ শ্রাবণ ১৪২৭

Select your Top Menu from wp menus

সব বৃত্তি কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

এসবিনিউজ ডেস্ক: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব বৃত্তি কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। আগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে বৃত্তি দেওয়া হতো এবং শিক্ষার্থীদের টাকা পেতে অনেক ঝামেলা হতো। অনলাইনে বৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করার ফলে জিটুপি পদ্ধতিতে বৃত্তির টাকা সরাসরি শিক্ষার্থীর মোবাইল নম্বরে পৌঁছে যাবে। ফলে শিক্ষার্থীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের টাকা পেয়ে যাবে এবং সরকারের সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে।

সোমবার এক ভার্চুয়াল সভায় ২০১৯-২০ অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত উপবৃত্তির টাকা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। সভায় আরও যুক্ত ছিলেন- শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির স্কিম পরিচালক শরীফ মুর্তাজা মামুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নির্দেশনায় ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তার ফলস্বরূপ আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের কাছে জিটুপি পদ্ধতিতে বৃত্তির অর্থ পৌঁছে দিতে পারছি । বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সার্বিক পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে এক্ষেত্রে যে ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে সেজন্য শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ও তার আইসিটি উপদেষ্টার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।’

ডা. দীপু মনি জানান, বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থীর আবেদন দাখিল, প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক অনুমোদন, প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তালিকা দাখিল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কর্তৃক অনুমোদন এবং সবশেষে তা স্কিম পরিচালকের কাছে দাখিল ও অনুমোদন, স্কিম পরিচালক কর্তৃক বিল দাখিল, মন্ত্রণালয়ের হিসাব রক্ষণ অফিস কর্তৃক বিল পাসের পর বিতরণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট মোবাইল সার্ভিস প্রভাইডারদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মোবাইলে পৌঁছে দেওয়া- এই পুরো কাজটি অনলাইনে করা হবে।

সোমবার দেশের ৪৯২টি উপজেলার প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৯ লাখ ৯২ হাজার ৭৮০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩২৮ কোটি ১৪ লাখ ১ হাজার ৯০০ টাকা জিটুপি পদ্ধতিতে পাঠানো হয়েছে। আগামী ২৪ জুন শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে তাদের উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে যাবে।

একই সময়ে শিক্ষামন্ত্রী জিটুপি পদ্ধতিতে ২০১৯ সালের পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত ৮৩ হাজার ৯৬৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ১৭ কোটি ৩২ লাখ ৭৬ হাজার ৩৮৫ টাকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। প্রতি অর্থবছরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এক লাখ ৮৭ হাজার ৩৮৪ জনকে ১৮৭ কোটি টাকার বৃত্তি প্রদান করা হয়। বৃত্তি প্রাপ্ত অন্য শিক্ষার্থীদের বরাদ্দকৃত অর্থ পর্যায়ক্রমে অনলাইনে পাঠানো হবে।

অনলাইনে বৃত্তি প্রদান সেবাটি মুজিববর্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

Related posts