মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২০ | ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

Select your Top Menu from wp menus

‘লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ চাই’

স্টাফ রিপোর্টার: সুরসাধক বিজয় সরকারের ১১৮তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেছেন, লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে লোকশিল্পীদের সৃষ্টি হারিয়ে যাচ্ছে। এই সৃষ্টিকে বাঁচিয়ে রাখা না গেলে নতুন প্রজন্ম ভুলে যাবে বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। মুক্ত আকাশ সংস্কৃতির নামে বাঙালির সংস্কৃতির সাথে যায় না এমন অনেক কিছুই ঢুকে পড়ছে। এ সব অপসংস্কৃতি রুখতে আমাদের ফিরে যেতে হবে সোঁদামাটির গন্ধ লেগে থাকা লোকসংস্কৃতির কাছেই।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রূপান্তর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বিজয় সরকারের জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন সুন্দরবন একাডেমি’র নির্বাহী পরিচালক শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির, নাট্য ব্যক্তিত্ব সুকান্ত সরকার, রূপান্তর-এর সাধারণ পরিষদের সদস্য মিনা রাজীব আহমেদ, শিল্পী হিরণ¥য় মালাকার প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, গত বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে বাংলাদেশে কবিগানের উৎকর্ষ সাধন ও একে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে বিজয়ের অবদান অনন্যসাধারণ। কবিগানের সময় ভাটিয়ালি সুরের সাথে বাউল ও কীর্তনের মিশ্রনে রচিত তাঁর ধুয়া গান তাঁকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়। সারা জীবনে তিনি দুটো ধারার গান বেশী পরিবেশন করেছেন। তা’ হচ্ছে-কবিগান ও রামায়ণ গান। মাঝেমধ্যে জারি গানও করেছেন সঙ্গে কবি-জারির পাল্লাও করেছেন। বাংলা সংগীত জগতে কবিয়াল বিজয় সরকার কবিগানকে বিশেষরূপে উপস্থাপন করেন। তাঁর কবিগান নিরপেক্ষ নবতর সংগীত হিসেবে শ্রোতাদের প্রাণে এক নব চেতনার উন্মেষ ঘটায়। এছাড়া বিজয়ের অপূর্ব ছন্দময় কবিগান সংগীতজগতে রেনেসাঁর সৃষ্টি করে। তাঁর সৃষ্টিকে ধরে রাখতে এখুনি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বিজয় সরকারের প্রতি নিবেদিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন রূপান্তর থিয়েটারের শিল্পীবৃন্দ।

Related posts