বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট ২০২২ ❙ ৩ ভাদ্র ১৪২৯

রূপান্তরের উদ্যোক্তা সৃষ্টি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

বাগেরহাট প্রতিনিধি: ‘করোনা অতিমারীতে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরী পুনর্বাসন উদ্যোগ’ (ঝঈজঊঅগ) প্রকল্পের আওতায় করোনা সংকট মোকাবেলায় দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে উদ্যোক্তা সৃষ্টি প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বুধবার (১৭ নভেম্বর) বাগেরহাটের খানজাহানিয়া গণবিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন, ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। স্বাগত বক্তব্য দেন খানজাহানিয়া গণবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোঃ কামরুজ্জামান। প্রকল্পের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য এবং বাস্তবায়ন কৌশল সর্ম্পকে ধারনা প্রদান করেন রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন রূপান্তরের এ্য্যাডভোকেসী এন্ড ক্যাম্পইন কো-অর্ডিনেটর তছলিম আহমেদ টংকার। উপস্থিত ছিলেন রূপান্তরের মনিটরিং কো-অর্ডিনেটর সৈয়দা সুবাহ, প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন মিরু, ফিল্ড অফিসার শিল্পী রাণী ডাকুয়া, রেকসোনা রিমা এবং আফরিন আলম ইয়াসিফার। অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিকল্পনায় ছিলেন প্রোগাম ডিরেক্টর ফারুক আহমেদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান প্রশিক্ষণ কর্মসূচীকে সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত উল্লেখ করে বলেন, এ ধরণের উদ্যোক্তা সৃষ্টির আয়োজন দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত ও স্বাবলম্বি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, নারীদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে তাদের উন্নয়নের মূল ¯্রােতে নিয়ে আসতে সরকার নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তৃনমূলের বঞ্চিত এবং অবহেলিত নারীদের রূপান্তরের উদ্যোক্তা সৃষ্টির এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচী কার্যত সরকারের উদ্যোগকে সরাসরি সহায়তা করবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, করোনাকালীন প্রথম ধাপে রূপান্তরের মানবিক সহায়তায় এ ধরণের জনগোষ্ঠী উপকৃত হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ঐ ধরণের জনগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবিকায়নের প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে ভাল উদ্যোগ। তিনি প্রকল্পের সার্বিক কর্মকান্ডে জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার বিষয়টিতে গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ড সরকারের সহায়তায় রূপান্তরের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটি বৃহত্তর খুলনা উপকূলীয় এলাকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মদক্ষতা সৃষ্টি করে করোনার নয়া স্বাভাবিকত্ব পরিস্থিতির সাথে খাপ খাওয়ানোর উদ্দেশ্যেই বাস্তবায়িত হচ্ছে।

Related posts