মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১ | ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

Select your Top Menu from wp menus

মুখ্যমন্ত্রী হতে বাধা নেই মমতার

এসবিনিউজ ডেস্ক: নিজের দলকে বড় জয়ের দিকে এগিয়ে দিতে পারলেও নিজের আসনে পারেননি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে বহু নাটকীয়তার পর খবর এসেছে হেরে গেছেন মমতা। ফলে তৃণমূলের টানা তৃতীয়বারের মতো পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় যাওয়া নিশ্চিত হয়ে গেলেও প্রশ্ন উঠেছে দলের নেত্রী মমতা আবার মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন কি-না, তা- নিয়ে।
ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী, দল সরকার গঠন করলে এবং সেই দলের নির্বাচিত সদস্যরা যদি কাউকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন করে, সেক্ষেত্রে তিনি মুখ্যমন্ত্রিত্ব পাবেন। তবে আইনি কিছু প্রক্রিয়া তাকে মানতে হবে। খবর ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের
ভারতীয় সংবিধানের ১৬৩ ও ১৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দেশটির কোনো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হতে হলে তাকে ভারতের নাগরিক হতে হবে এবং বয়স হতে হবে ২৫ বা তার বেশি। তাকে রাজ্যের বিধানসভার সদস্য হতে হবে। আর বিধানসভার সদস্য না হয়েও কেউ যদি মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন, তবে তাকে সংশ্লিষ্ট রাজ্যপালের অনুমতি নিতে হবে।
কেউ হেরে যাওয়ার পরও তার দল যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় এবং দলের নির্বাচিত সদস্যরা যদি তাকে নেতা নির্বাচিত করেন, তাহলে তার মুখ্যমন্ত্রী হতে আইনগত কোনো বাধা নেই।
তবে ভোটে না জিতেও মুখ্যমন্ত্রী হলে তাকে ওই পদে বসার ১৮০ দিনের মধ্যে কোনো একটি আসন থেকে জিতে আসতে হবে। তা না পারলে ছেড়ে দিতে হবে পদ।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে দুটির ভোটগ্রহণ প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত রয়েছে। ফলে এর একটি আসনে ছয় মাসের মধ্যে জিতে এলেই মমতার মুশকিল আসান হতে পারে।
মুর্শিদাবাদ জেলায় সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর, দুই আসনে ভোট হবে ১৬ মে। ওই দুই কেন্দ্রে সংযুক্ত মোর্চার দুই প্রার্থী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। সে কারণেই ভোট পিছিয়েছে নির্বাচন কমিশন। হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই দু’টি আসনের মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে পারেন অথবা তার কোনো পছন্দের আসন থেকেও তিনি প্রার্থী হতে পারেন। সেক্ষেত্রে তৃণমূলের বিজয়ী কোনো বিধায়ককে জেতা আসন থেকে পদত্যাগ করতে হবে।
তবে শোনা যাচ্ছে. নিজের গড় অর্থাৎ দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে ফের ভোটে দাঁড়াতে পারেন মমতা বন্দোপাধ্যায়।

২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস যখন পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছিল, তখনো মমতা ব্যানার্জি পশ্চিমবঙ্গের এমএলএ ছিলেন না। পরে উপনির্বাচনে জেতেন তিনি। ২০১৭ সালে যোগী আদিত্যনাথ যখন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হন তখনো তিনি উত্তর প্রদেশের এমএলএ ছিলেন না। তিনিও পরে উপনির্বাচনে জেতেন।

Related posts