বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ❙ ১৯ মাঘ ১৪২৯

‘বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বপ্ন জাগিয়ে তোলা হয়’

স্টাফ রিপোর্টার:খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে আর্ককেইউ-বার্জার এ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
রোববার (২০জানুয়ারি) স্থাপত্য ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. খন্দকার মাহফুজ-উদ-দারাইন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরী, বিজ্ঞান প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার, ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মোঃ শরীফ হাসান লিমন।
অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন এক্সটার্নাল কোঅর্ডিনেটর স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. শেখ সেরাজুল হাকিম এবং বার্জার পেইন্টসের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মহসিন হাবীব চৌধুরী। এসময় আইন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ সারওয়ার জাহানসহ সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, এ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং বার্জার পেইন্টস এর প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ বলেন, অবিভক্ত ভারতের শেষ শতাব্দীর প্রারম্ভে বা তার কিছুকাল আগে আমাদের দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং পৃষ্ঠপোষকতার ক্ষেত্রে ব্যক্তি ধনিকশ্রেণি বা বিদ্যানুরাগীদের একটি বিশেষ ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু পরবর্তীতে এ ধারায় ভাটা পড়ে। এখন ধনীক শ্রেণি বাড়লেও ব্যক্তি উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা বা পৃষ্ঠপোষকতার হার আশাব্যঞ্জক নয়। এ জায়গাটা অনেকটা পূরণ করেছে অনেক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান। বার্জার পেইন্ট এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন তারা সঠিক জায়গাটায় নার্সিং করছে। তিনি এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
রূপালী চৌধুরী তাদের প্রতিষ্ঠানের অভিপ্রায়, লক্ষ্য এবং এ ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ইনোভেশনের প্রাণকেন্দ্র। এখান থেকেই স্বপ্ন জাগিয়ে তোলা হয়। আমরা শিক্ষার্থীদের মেধা জাগিয়ে তুলতে চাই, দেশের জন্য, জাতির জন্য তারা অবদান রাখুক সে প্রেরণা সৃষ্টির জন্যই আমাদের এ উদ্যোগ। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের অবদান এবং শিক্ষার্থীদের মানের ভ’য়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন অব্যাহত প্রচেষ্টায় এখানকার স্থাপত্য ডিসিপ্লিন অনন্য বৈশিষ্ট্য অর্জনে সক্ষম হবে।
পরে বিগত চার বছরের বিভিন্ন ক্রাইটেরিয়ায় মেধার স্বাক্ষর রাখায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ্যাওয়ার্ড বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। এর আগে বিকেল চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আর্ককেউ-বার্জার প্রচলিত সমঝোতা চুক্তি আরও ৫ বছর বৃদ্ধি সম্পর্কিত এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ এবং বার্জার পেইন্ট বাংলাদেশ এর পক্ষে সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মহসিন হাবীব চৌধুরী স্ব স্ব পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় বার্জার পেইন্টের এমডি রূপালী চৌধুরী এবং খুবি স্থাপত্য ডিসিপ্নিন প্রধানসহ শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related posts