বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০ | ১৬ আশ্বিন ১৪২৭

Select your Top Menu from wp menus

বাগেরহাটে সাংবাদিকদের পুষ্টি বিষয়ক পরামর্শ সভা

স্টাফ রিপোর্টার: ‘পুষ্টি উন্নয়নে অংশগ্রহণমূলক সমন্বিত প্রকল্প’(CRAAIN)-বিষয়ক এক পরামর্শ সভা সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাগেরহাট কোডেক ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। রূপান্তর আয়োজিত এ পরামর্শ সভায় বাগেরহাট জেলা ও প্রকল্পের আওতাভূক্ত ৪টি উপজেলার সংবাদকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর অর্থায়নে প্রকল্পটি উন্নয়ন সংস্থা- কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড, ওয়াটার এইড, রূপান্তর ও জেজেএস-এর সমন্বয়ে গঠিত কোস্টাল কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে বাগেরহাট জেলার কচুয়া, শরণখোলা, মোল্লাহাট এবং মোংলা উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।
‘পুষ্টি উন্নয়নে অংশগ্রহণমূলক সমন্বিত প্রকল্প’(CRAAIN)-এর লক্ষ্য মা ও শিশু পুষ্টি উন্নয়ন করা। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন বিভাগ, কমিউনিটি এবং সুশীল সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পুষ্টি, কৃষি, সামাজিক সুরক্ষা এবং পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন এই চারটি খাতকে সম্পৃক্ত করবে এই প্রকল্প। গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী নারী, শিশু, কিশোরী, প্রজননক্ষম নারী, সুবিধাবঞ্চিত পরিবার, প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ, বয়স্ক জনগোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর পুষ্টির উন্নয়ন উদ্দেশ্যে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় চারটি উপজেলার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী এই কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হবে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ মোজাফফর হোসেন। সহায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক ও খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ।
সভায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে বক্তব্য দেন শরনখোলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর টুটুল, মোল্লাহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মোহন এবং কচুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইদুজ্জামান।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা ৪টি দলে বিভক্ত হয়ে দলীয় কাজের মাধ্যমে কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রকল্প সমন্বয়কারী খালেদা হেসেন মুন প্রকল্প কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা সিএসও মোবিলাইজার
শরিফুল বাসার।
অপুষ্টিজনিত সমস্যা সমাধানে সকলের সমন্বয়ে স্থানীয় পর্যায়ের উদ্ভাবনী ও টেকসই পুষ্টি সুশাসনের মডেল তৈরি করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে এই প্রকল্প ভূমিকা রাখবে বলে অংশগ্রহণকারীরা মতামত ব্যক্ত করেন।

Related posts