শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০ | ২৫ আষাঢ় ১৪২৭

Select your Top Menu from wp menus

পরকীয়ার জের: ধরা খেয়ে ফের বিয়ের পিঁড়িতে নারী ভাইস চেয়ারম্যান

মেহেরপুর প্রতিনিধি: দীর্ঘ দিনের পরকীয়া প্রেমের জের ধরে এলাকাবাসীর হাতে ধরা খেয়ে অবশেষে ২০ লাখ টাকা দেন মোহরে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হল গাংনী উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান এক সন্তানের জননী ফারহানা ইয়াসমীনকে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের উপস্থিতিতে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে উকালতির দায়িত্ব পালন করেন গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম। এই সময় গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সানোয়ার হোসেন ও ছেলের পিতা আনসারুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গাংনী পৌরসভার চৌগাছা এলাকায় ফারহানা ইয়াসমীনের ভাড়া বাসা থেকে স্থানীয়রা পরকীয়া প্রেমিকসহ তাদের দুজনকে আটক করে। এরপর খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম, গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমানসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন। প্রথমে তাদের পরকীয়া প্রেমের কথা অস্বীকার করে ধর্ম ভাই পরিচয় দিলেও পরে ছেলের মোবাইল সার্চ করে দুজনের বিভিন্ন কথোপকথন এবং অসামজিক ছবি উদ্ধার করা হয়। পরে ছেলে সব কথা স্বীকার করাই তাদের দুজনের বিয়ের আয়োজন করেন তারা।
বিষয়টি সম্পর্কে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক বলেন, তাদের দুজনের মধ্যে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক ছিল। স্থানীয় লোকজন মিলে আজ তাদের দুজনকে আটক করে। আমরা তাদের কথা শুনে এবং তাদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিয়ের আয়োজন করেছি।
জানা যায়, ফাহানার পরকীয় প্রেমিক মেহেরপুর সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের আনসারুল হকের ছেলে গোলাম সরোয়ার ওরফে সবুজ। তিনিও এক সন্তানের জনক। তার প্রথম স্ত্রী একজন স্কুলশিক্ষিকা। অন্যদিকে প্রায় ৩ মাস আগে ফারহানার স্বামী শাহাবুদ্দীন আহমেদ স্ট্রোকজনিত কারণে মৃত্যু বরণ করেন। ফারহানা গাংনী উপজেলা আওয়ামী মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

Related posts