বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ❙ ১৯ মাঘ ১৪২৯

জেলাভিত্তিক কিছু ক্ষুদ্র-কুটির শিল্প খুলে দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

এসবিনিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,অর্থনীতির চাকা সচল করতে মানুষকে সুরক্ষিত রেখে জেলা ভিত্তিক কিছু ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।

তিনি জানান, ঈদের আগে মানুষকে কেনাকাটার সুযোগ করে দেয়া হবে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে রংপুর বিভাগের আট জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়কালে তিনি এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

সোমবার বেলা ১১টায় গণভবনে এ ভিডিও কনফারেন্স শুরু হয়। রংপুর বিভাগের জেলাগুলো হচ্ছে- পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারি, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধা।

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোধে ছুটি আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছুটি ১৫  মে পর্যন্ত বাড়াতে চাচ্ছি। 

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় দুই হাজার ডাক্তার ও পাঁচ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাদের ট্রেনিং দিচ্ছি। যেন এটা ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঢাকা মেডিকেলের দ্বিতীয় অংশটা করোনাভাইরাসের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলায় জেলায় যেন করোনা চিকিৎসা হতে পারে সেজন্য পদক্ষেপ নিয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। যেহেতু এই ভাইরাসটি হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় সবাইকে অনুরোধ করবো সবাই নিজেকে সুরক্ষিত করতে হবে, আবার অপরকেও সুরক্ষিত রাখতে হবে। সেজন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে যে সব নির্দেশনা রয়েছে সেগুলো অবশ্যই আপনারা মেনে চলবেন।

‘তবে সবাইকে বিনা কারণে ঘরের বাইরে যাওয়া বন্ধ করতে হবে। সেখান থেকে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঘটতে পারে ও মৃত্যুও ঘটতে পারে। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বেরোলে অবশ্যই মাস্ক পরার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। তরুণদের দোকানে বসে আড্ডা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’ 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশটাকে সুরক্ষিত করা, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা- এই ভাইরাসের কারণে দেশের মানুষের যাতে ক্ষতি না হয় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া আমাদের লক্ষ্য। সে অনুযায়ী আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি।

রমজান মাসে যাতে মানুষ যাতে ইফতার-সেহরিসহ অতি জরুরি বাজার করতে পারে তার জন্য প্রয়োজনীয়  দোকান-বাজার খোলা রাখার ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরকারি অফিস, আদালত সীমিত আকারে চালু করা হবে যাতে মানুষের কষ্ট না হয়।

এ সময় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারিতে বৈশ্বিক অর্থনীতির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিও থমকে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস।

Related posts