বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ❙ ১৯ মাঘ ১৪২৯

খুলনায় প্রস্তুত ৩৪৯ সাইক্লোন শেল্টার

স্টাফ রিপোর্টার: ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ মোকাবিলার জন্য খুলনায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৪৯টি সাইক্লোন শেল্টার। এসব সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিতে পারবেন ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫০ জন মানুষ। এছাড়া খুলনা সিভিল সার্জন অফিস ৯টি উপজেলায় ১১৬টি মেডিকেল টিম গঠন করেছে। লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয় যেতে মাইকিং শুরু হয়েছে।

খুলনার জেলা প্রশাসক মো. হেলাল হোসেন জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। সে কারণে উপকূলীয় কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা ও বটিয়াঘাটা উপজেলার সব স্কুল-কলেজকে সাইক্লোন শেল্টার হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর চাবি সংগ্রহ করে ইউনিয়ন পরিষদের সচিবদের কাছে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানান, সাইক্লোন শেল্টারগুলোতে ইফতার ও সেহরির ব্যবস্থা থাকবে। সাইক্লোন প্রিপার্ডনেস প্রোগ্রাম (সিপিপি) এর দুই হাজার ৪৬০ জন এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার এক হাজার ১০০স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিশুদ্ধ খাবার পানি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিমুল কুমার সাহা জানান, সোমবার সকাল থেকে স্বেচ্ছাসেবকরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গিয়ে লোকজনকে মঙ্গলবার সকালে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে মাইকিং করছে।

খুলনা সার্কেলের বন সংরক্ষক মো. মঈন উদ্দিন খান জানান, সুন্দরবনের যেসব ক্যাম্পের স্থাপনা দুর্বল সেসব ক্যাম্পের বনকর্মীদের পার্শ্ববর্তী ভালো ক্যাম্পগুলোতে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। নতুন করে সুন্দরবনে ঢোকার জন্য জেলে-বাওয়ালী ও মাওয়ালীদের পাশ-পারমিট দেওয়া হচ্ছে না। বনের মধ্যে থাকা জেলে, বাওয়ালী ও মাওয়ালীদের লোকালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ১১৬টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

Related posts