শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২০ | ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭

Select your Top Menu from wp menus

খুলনায় কখন কোথায় ঈদের জামাত

স্টাফ রিপোর্টার: খুলনায় ঈদ-উল-আজহার প্রধান ও প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল আটটায় টাউন জামে মসজিদে। এবারে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে উন্মুক্ত স্থানে বা মাঠে কোনো ঈদের জামাত হবে না।
জামাতে ইমামতি করবেন টাউন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহম্মদ সালেহ। একইস্থানে দ্বিতীয় ও শেষ জামাত সকাল নয়টায় অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া কোর্ট জামে মসজিদে সকাল সাড়ে আটটায় একটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
বায়তুন নূর জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে পবিত্র ঈদের দু’টি জামাত হবে। সকাল ৮টায় ১ম জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের খতিব হাফেজ মওলানা ইমরান উল্লাহ এবং সকাল ৯টায় ২য় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের পেশ ইমাম মওলানা আব্দুল গফুর।
খুলনা বিশ্বদ্যিালয়ে ঈদুল আজহার নামাজের জামাত সকাল ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন নতুন কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদে সকাল আটটায়, সরকারি বিএল কলেজ জামে মসজিদে সকাল আটটায়,আল-হেরা জামে মসজিদ (তারের পুকুর) প্রথম জামাত সকাল সাতটায় দ্বিতীয় জামাত সকাল আটটায়, ইসলামপুর জামে মসজিদে সকাল আটটায়, রায়পাড়া জামে মসজিদে সকাল আটটায়, মজিদিয়া খানজাহান নগর জামে মসজিদে সকাল সাড়ে সাতটায়, গিলাতলা গাজীপাড়া বায়তুন নাজাত জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, গিলাতলা বায়তুল হামদ্ জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, মোল্লাপাড়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, শেখপাড়া বায়তুল আমান জামে মসজিদে সাড়ে ৭টায়, গিলাতলা বাজার (ফাঁড়ি) মসজিদে সকাল ৭টায়, শিরোমণি পূর্বপাড়া বায়তুল আক্সা জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, শিরোমণি বায়তুল মা’মুর (বাজার) জামে মসজিদে সকাল ৭টায়, ৮টায় ও ৯টায়, ফুলবাড়ীগেট বাজার জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায়, ফুলবাড়ীগেট বায়তুল আমান জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা জামে মসজিদ, নিউমার্কেট, রূপসা বায়তুশ শরফ জামে মসজিদ, সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা (২য় ফেজ) বায়তুল্লাহ জামে মসজিদসহ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডের সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত মসজিদে নিজেদের সময় অনুযায়ী ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া জেলার সব মসজিদে ঈদ-উল-আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামাত আদায় করা যাবে।
সরকারি নির্দেশনা মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ঈদের জামাতের কাতারে দাঁড়াতে হবে। এক কাতার অন্তর এক কাতার করে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করতে হবে। মসজিদের অযুর স্থানে সাবান ও স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মুসল্লিদের বাসা থেকে অযু করে এবং মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে। অযু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো যাবে না। মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে এবং মুসল্লিরা বাসা থেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। মসজিদের টুপি এবং জায়নামাজ ব্যবহার করা যাবে না। শিশু, বয়োবৃদ্ধ, যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি, অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
ঈদে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মহানগর ও মহানগরের বাইরের বিভিন্ন স্পটে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, ছিনতাইকারী ও পকেটমারদের তৎপরতা বন্ধে বিভিন্ন স্থানে সাদা পোশাকধারী পুলিশ মোতায়ন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। ঈদুল আজহার সময় আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, রাস্তা বন্ধ করে স্টল তৈরি, উচ্চস্বরে মাইক, ড্রাম বাজানো, রঙ্গিন পানি ছিটানো এবং বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালানো যাবে না।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপনের জন্য পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব) ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত করা হয়েছে। ঈদের জামাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। ঈদের জামাতে নিরাপত্তার স্বার্থে মুসল্লিদের জায়নামাজ ও টুপি ব্যতীত কোনো ধরনের ব্যাগ বহন করতে নিষেধ করা করা হয়েছে।

Related posts