বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০ | ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭

Select your Top Menu from wp menus

খুবির শিক্ষক প্রফেসর শামীম আখতার আর নেই

স্টাফ রিপোর্টার: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট এবং বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ শামীম আখতার বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৭ টায় খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে … রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।
তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজিই ডিসিপ্লিনের ৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি আজ দুপুরে ১ম দফা হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাঁকে প্রথমে নগরীর বয়রাস্থ আদ্-দ্বীন-হাসপাতালে ভার্তি করা হয়। কিন্তু সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর তাঁকে বিকেলে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই ২য় দফা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। তিনি স্ত্রী ও ২ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মরদেহ হাসপাতাল থেকে রাত ৯ টায় খালিশপুরস্থ বাসায় নেওয়া হয়। ঢাকায় অবস্থানরত তাঁর ভাই খুলনায় পৌছানোর পর পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দাফন কাজ সম্পন্ন করা হবে। এদিকে অসুস্থতার খবর পেয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান তাঁর চিকিৎসার ব্যাপারে সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নেন। তাঁর ইন্তেকালের খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, রেজিস্ট্রার, ডিসিপ্লিন প্রধান, প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধানসহ বহুসংখ্যক শিক্ষক হাসপাতালে ছুটে যান।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট এবং বিজিই ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ শামীম আখতারের আকষ্মিক ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, প্রফেসর ড. মোঃ শামীম আখতার একজন নিবেদিত প্রাণ শিক্ষক ছিলেন। তাঁর এই আকষ্মিক মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্যকে হারালাম। তিনি তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
অনুরুপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, জীব বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ রায়হান আলী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, বিজিই ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. আয়শা আশরাফসহ বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের প্রধান, প্রভোস্টবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট হলের সহকারী প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ অনুরুপ শোক প্রকাশ করেন।

Related posts