বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

কুয়েটে ‘আইসিসিইএসডি ২০২০’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার: খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) তিন দিনব্যাপী ৫ম “ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ফর সাসটেইন্যাবল ডেভেলপমেন্ট (আইসিসিইএসডি ২০২০)” শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে এবং সাইফ পোর্ট হোল্ডিংস লিঃ, ওয়াহিদ কন্সট্রাকশন লিঃ, বসুন্ধরা সিমেন্ট, সেভেন রিংস সিমেন্ট ও সিভিল সিআরটিএস এর সহযোগিতায় ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে কনফারেন্সটির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ অব বাংলাদেশ এর রেক্টর প্রফেসর এম, এ, হান্নান। সম্মেলনের চীফ প্যাট্রোন বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন এবং চেয়ার সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ হারুনুর রশীদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আবুল বাশার এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. এস এম মনিরুজ্জামান। সমাপনী অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তৃতা করেন চুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. আয়েশা আক্তার, এনএসডব্লিউ গভার্নমেন্টের ট্রান্সপোর্ট, রোডস এন্ড মেরিটাইম সার্ভিসের স্পেশালিস্ট জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ড. এএইচএম কামরুজ্জামান, ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি সিডনীর স্কুল অফ সিভিল এন্ড ইনভাইরনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপ-প্রধান হাদী খাব্বাজ, অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককুয়ারী ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. ভøাদিমির স্ট্রিজভ, সেভেন রিংস সিমেন্টের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন। সম্মেলনে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তৃতায় বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সীমিত সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। এধরণের কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশী-বিদেশী, নবীন-প্রবীন গবেষকদের মধ্যে অভিজ্ঞতার বিনিময় করা সম্ভব হয়, এজন্য এধরনের কনফারেন্সের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে। বক্তারা আরো বলেন, কুয়েট এখন একটি মর্যাদা সম্পন্ন বিশ^বিদ্যালয়। ‘আইসিসিইএসডি’ এর ন্যায় আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের আয়োজন কুয়েটের মর্যাদাকে আরো বৃদ্ধি করছে। বিশে^র প্রায় সকল প্রান্তে এ বিশ^বিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটগণ তাদের মেধার প্রমান দিচ্ছে।

সম্মেলনে মোট ৫টি কী-নোট সেশন এবং ৩২টি টেকনিক্যাল সেশনে দেশ-বিদেশের গবেষকদের মোট ২০১টি টেকনিক্যাল পেপার উপস্থাপিত হয় এবং সেরা ৫টি পেপারকে পুরস্কৃত করা হয়। সম্মেলনে প্রায় চারশত প্রতিথযশা গবেষক, শিক্ষক, স্বনামধন্য প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদগণসহ অন্যান্যরা অংশগ্রহন করেন।

উল্লেখ্য, এর আগে কুয়েটে ২০১২ সালে প্রথম, ২০১৪ সালে দ্বিতীয়, ২০১৬ সালে তৃতীয় এবং ২০১৮ সালে চতুর্থ বারের মত ‘আইসিসিইএসডি’  অনুষ্ঠিত হয়।

Related posts