সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ❙ ২৩ মাঘ ১৪২৯

কলকাতায় মাতৃভাষা দিবস পালন

এসবিনিউজ ডেস্ক: যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কলকাতাসহ সেখানকার বাংলাদেশ উপ দূতাবাসে পালন করা হয়েছে শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপ দূতাবাস চত্বরে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। পতাকা অর্ধনমিত করেন উপ হাইকমিশনার তৌফিক হাসান। এরপর ভাষা শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন এবং মোনাজাত করা হয়।
এরপর বাংলাদেশ উপ দুতাবাসের আয়োজিত প্রভাতফেরি শুরু হয়। প্রভাতফেরি কলকাতার সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ গ্রন্থাগারের সামন থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় উপ দুতাবাসের চত্বরে। প্রভাতফেরিতে অংশগ্রহণ করেন কলকাতার কবি, সাহিত্যিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিজীবী, ভাষাপ্রেমী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, নাট্য সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।
পরে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
পরবর্তীতে এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

এছাড়া আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরতে বিকেলে কলামন্দিরের কলাকুঞ্জ সভাগৃহে বহুভাষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন দেশের কনস্যুলেট প্রতিনিধিরা এতে নিজ নিজ ভাষায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। এদের মধ্যে ছিল নেপাল, রাশিয়া, জার্মানি, থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেট।
অনুষ্ঠানে কলকাতায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীরা সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে দর্শক শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন।
কলকাতায় উপ দূতাবাসের আয়োজিত অনুষ্ঠান ছাড়াও গোটা রাজ্যে বিভিন্নভাবে পালন হয় দিনটি। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্বভারতীর আন্তর্জাতিক অতিথি নিবাস থেকে বাংলাদেশ ভবন পর্যন্ত পদযাত্রা। এরপর শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন। তখন উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বাংলাদেশ উপ দূতাবাসের পক্ষে শাহনাজ আখতার রানু। এছাড়া রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দুই জায়গায় দিবসটি পালন হয়।

Related posts