মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১ | ৩০ চৈত্র ১৪২৭

Select your Top Menu from wp menus

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর মুক্তিদিবস স্মরণে ডাকটিকেট

এসবিনিউজ ডেস্ক: আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেফতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটা কার্ড প্রকাশ করছে ডাক অধিদফতর।
সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ঢাকায় তার দফতরে ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট ও ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেন। এছাড়া ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ড উদ্বোধন করা হয়। মন্ত্রী এ সংক্রান্ত একটি সিলমোহর ব্যবহার করেন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্মারক ডাকটিকেট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড সোমবার থেকে ঢাকা জিপিও’র ফিলাটেলিক ব্যুরো এবং পরে দেশের অন্যান্য জিপিও এবং প্রধান ডাকঘর থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেফতার বঙ্গবন্ধুর মুক্তি লাভের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের এক ঐতিহাসিক সোপান রচিত হয়।
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলার স্বাধীকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের ২৩ বছরের ইতিহাসের একটি বিস্ময়কর ও গৌরবময় ঘটনা উল্লেখ করে মন্ত্রী বিবৃতিতে বলেন, ‘এই মামলাকে কেন্দ্র করেই ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়।’
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রলীগের রাজপথের লড়াকু সৈনিক মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল পাকিস্তান সরকার বিচার প্রক্রিয়া শুরুর উদ্যোগ নেয়। ১৯ জুন ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্তদের বিচার শুরু হয়।’
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ রাজপথে গণ-আন্দোলন গড়ে তোলে। সেইসঙ্গে জনসমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বিশাল শক্তি নিয়ে মানুষের মাঝে নতুন চেতনার স্ফুরণ ঘটায়। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।’
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, ‘এই মামলার অভিযুক্ত প্রত্যেকের পরিবারকে সেই সময় অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে দিন অতিবাহিত করতে হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায় প্রতিদিনই তার পিতার সঙ্গে দেখা করতে যেতেন। এক সময় শেখ মুজিবকে সরকার প্যারোলে মুক্তি দিতে চাইলে বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব শেখ হাসিনার মাধ্যমে শেখ মুজিবকে খবর পাঠিয়ে মুক্তি নিতে বারণ করেন। গণঅভ্যুত্থানে দিশেহারা আইয়ুব খান ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন এবং এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে বন্দিদশা থেকে মুক্তি লাভ করেন।’

Related posts