সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫ আশ্বিন ১৪২৮

Select your Top Menu from wp menus

অনুমোদন পেলো যশোর জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

যশোর প্রতিনিধি: ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের ২০ মাস পর যশোর জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জুলাই) ১৯ জন উপদেষ্টাসহ ৯৪ সদস্যের এই কমিটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের অনুমোদন দেন।
২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলন থেকে শহিদুল ইসলাম মিলনকে সভাপতি ও শাহীন চাকলাদারকে সাধারণ সম্পাদক করে ২২ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিলো। শুক্রবার ঘোষণা করা হলো পূর্ণাঙ্গ কমিটি।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার এমপি ছাড়াও সহসভাপতি আছেন ১১ জন।
তারা হলেন আব্দুল মজিদ, হায়দার গনি খান পলাশ, সাইফুজ্জামান পিকুল, আব্দুল খালেক, একেএম খয়রাত হোসেন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী রায়হান, গোলাম মোস্তফা, অ্যাভোকেট জহুর আহমেদ, অ্যাডভোকেট এবিএম আহসানুল হক, মেহেদী হাসান মিন্টু ও এসএম হুমায়ুন কবীর কবু।
এছাড়া অন্যান্য পদধারীরা হলেন, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির, আশরাফুল আলম লিটন ও মীর জহুরুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাভোকেট গাজী আব্দুল কাদের, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু সেলিম রানা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ফারুক আহমেদ কচি, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুখেন মজুমদার, দফতর সম্পাদক হিসেবে মজিবুদ্দৌলা কনক, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুন্সী মহিউদ্দিন আহমেদ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সাঈফুদ্দিন সাইফ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল কবির বিপুল ফারাজী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সেতারা খাতুন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক জিয়াউল হাসান হ্যাপী, শিক্ষা ও মানব সম্পাদক বিষয়ক সম্পাদক এ এসএম আসিফ-উদ-দ্দৌলা অলোক, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ আতিকুর বাবু, শ্রম সম্পাদক কাজী আব্দুস সবুর হেলাল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী বর্ণ উত্তম, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পদাক ডা. এমএ বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম আফজাল হোসেন, মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ও জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, উপদপ্তর সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম তরফদার, উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক লুৎফুল কবীর বিজু এবং কোষাধ্যক্ষ মঈনুল আলম টুলু।
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা হলেন অ্যাডভোকেট মঈনুদ্দিন মিয়াজি, নজরুল ইসলাম ঝর্ণা, অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান, মাস্টার রুহুল আমিন, গোলাম মোস্তফা খোকন, জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, সৈয়দ ওসমান মঞ্জুর জানু, অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম, এস এম কামরুজ্জামান চুন্নু, গোলাম রসুল, প্রণব ধর, জয়নাল আবেদীন, নওশের আলী, মিজানুর রহমান মৃধা, অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন খান, আব্দুল মান্নান মিনু, মোবাশ্বের হোসেন বাবু, আহসান উল্লাহ মাস্টার ও সোলায়মান হোসেন।
কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, এমপি কাজী নাবিল আহমেদ, এমপি শেখ আফিল উদ্দিন, এমপি রনজিৎ রায়, এমপি মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যক্ষ নাসির উদ্দিন, মোহিত কুমার নাথ, আলেয়া আফরোজ, ফিরোজ রেজা আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ খাইরুজ্জামান রয়েল, এনামুল হক বাবুল, কৃষিবিদ আব্দুস সালাম, ফারুক হোসেন, সরদার অলিয়ার রহমান, মেহেদী মাসুদ চৌধুরী, শওকত আলী, আসাদুজ্জামান মিঠু, আসাদুজ্জামান আসাদ, মীর আরশাদ আলী রহমান, আনোয়ার হোসেন মোস্তাক, মোস্তাফা আশিষ দেবু, প্রভাষক দেলোয়ার হোসেন দিপু, কামাল হোসেন (শহর), অধ্যাপক মোয়াজ্জোম হোসেন, রফিকুল ইসলাম মোড়ল, মসিউর রহমান সাগর, অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম তুহিন, ইঞ্জিনিয়ার আরশাদ পারভেজ, এহসানুর রহমান লিটু, গোলাম মোস্তফা, সামির ইসলাম পিয়াস, আলমুন ইসলাম পিপুল, অমিত কুমার বসু, নাজমা খানম, ভিক্টোরিয়া পারভিন সাথী, হুমায়ুন সুলতান ও মারুফ হোসেন খোকন।
চলতি মাসে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম মিলন ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের সমন্বয়ে একটি প্রস্তাবিত কমিটি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং খুলনা বিভাগীয় আওয়ামী লীগের দায়িত্বরত নেতা ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হোসেনের কাছে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। প্রস্তাবিত কমিটির মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে শুক্রবার কমিটির অনুমোদন দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
গত কমিটির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর রোকেয়া পারভীন ডলি, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কাজী রফিক ও দফতর সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু নতুন কমিটিতে স্থান পাননি।
যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, নতুন কমিটিতে কিছু বাদ পড়বে কিছু নতুন ঢুকবে এটাই স্বাভাবিক। সবমিলিয়ে কমিটি ভাল হয়েছে ৷

Related posts