দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়নে পদ্মা সেতু ভূমিকা রাখবে: ড. মসিউর


ফেব্রুয়ারি ১০ ২০১৮

মোঃ আব্দুল আজিজ (পাইকগাছা)খুলনা: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাসহ দেশের সকল ক্ষেত্রে সফলতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে কাজ করেছি, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সাথেও কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি সফলতায় প্রমাণ করে তিনি বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরী।

তিনি বলেন, যারা এক সময় পদ্মা সেতু নিয়ে উপহাস ও ষড়যন্ত্র করেছিল সেতুর দৃশ্যমান উন্নয়নে তাদের ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। পদ্মাসেতু আমাদের অহংকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেতুর ৬০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, অবশিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হলে মংলা বন্দরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন হবে। এ অঞ্চলে তৈরী হবে অর্থনৈতিক নতুন নতুন ক্ষেত্র, গড়ে উঠবে শিল্প ও কলকারখানা।

পদ্মা সেতুর সুফল দক্ষিণাঞ্চলের প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর উন্নয়নে নয় দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আবারও নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাইকগাছার মৌখালীর মোল্লা বাড়ী মাঠে বিবাহোত্তর এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে এলাকাবাসীর সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন। আগামী নির্বাচনে খুলনা-৬ আসন থেকে দলীয় প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করবেন কিনা সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা মশিউর রহমান বলেন, প্রার্থী নির্ধারণ করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর, তিনি (প্রধানমন্ত্রী) যাকে মনোনয়ন দিবেন তিনিই হবেন দলীয় চূড়ান্ত প্রার্থী। ভবিষ্যতে অর্থমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার ক্ষেত্রেও একই মন্তব্য করেন তিনি। সম্প্রতি বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া দূর্নীতির মামলায় সাজা প্রাপ্ত হয়ে জেলে রয়েছেন। তার এ রায়কে কেন্দ্র করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরূপ কোন প্রভাব ফেলবে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে জনগণ বিএনপি’কে অনেক আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে। যারা এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে তাদেরকে জনগণ আর কখনো ক্ষমতায় দেখতে চাই না।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আ’লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডঃ শেখ মোঃ নূরুল হক, খুলনা রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি দিদার আহম্মেদ, অতিরিক্ত ডিআইজি হাবিবুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা নিজামুল হক, এসএম শফিউল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল কাদের বেগ, উপদেষ্টা পতœী রওশান রহমান ইভা, উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ স ম বাবর আলী ও শরফুদ্দীন বিশ্বাস বাচ্চু, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফকরুল হাসান, জেলা আ’লীগনেতা গাজী মোহাম্মদ আলী, কামরুজ্জামান জামাল, আকতারুজ্জামান বাবু, ইঞ্জিনিয়ার মাহাবুবুল ইসলাম, ডাঃ শেখ মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নান গাজী, হাবিবুল্লাহ বাহার, নাহার আক্তার, এসএম খালেদীন রশিদী সুকর্ণ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ পারভেজ হাওলাদার, খুলনার ওসি ডিবি সিকদার আক্কাজ আলী, ওসি আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, এনামুল হক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, অধ্যাপক ডাঃ জেবুন্নেছা বেগম, নাজনীন হোসেন, আকতারুজ্জামান সুজাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


এক্সক্লুসিভ


সাক্ষাৎকার

Ad Space

আইন-আদালত


শিল্প-সাহিত্য

Ad Space

ভ্রমণ

ফিচার

Ad Space

পরিবেশ

Ad Space

আবহাওয়া

Ad Space

রাশিফল


Ad Space