কারাবন্দী খালেদা জিয়া অনেক বেশি শক্তিশালী’: মঞ্জু


ফেব্রুয়ারি ১২ ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার: খুলনায় মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, মুক্ত খালেদা জিয়ার চাইতে কারাবন্দী খালেদা জিয়া অনেক বেশি শক্তিশালী। জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে জেলে দিয়ে যারা বিএনপির বিনাশ চেয়েছিল, আজ সেই আওয়ামী লীগই নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে সংকটে পড়ছে। গণতন্ত্রের সংগ্রামের আপেসহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার পক্ষে জনগণের সমর্থন বেড়েই চলেছে। তিনি বলেন, দেশনেত্রীর নির্দেশে আমরা মানববন্ধন, অবস্থান ও অনশন কর্মসূচির মতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছি। আমাদের এ্ই অবস্থানকে দূর্বলতা মনে করলে আপনারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের জেলে পাঠিয়ে, নির্বাচনে অযোগ্য করে আর একটি বাকশালী মার্কা নির্বাচনের আয়োজন করলে এমন পরিণতি সৃষ্টি করা হবে যা সামাল দেয়া আওয়ামী লীগ ও তার রক্ষক পেটোয়া পুলিশ বাহিনীর পক্ষে সম্ভব হবেনা। খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে দেশে কোন নির্বাচন হতে দেয়া হবেনা।

বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা বানোয়াট ভিত্তিহীন মামলায় কারাদন্ড দেয়ার প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত তিন দিনের কর্মসূচির প্রথম দিনে সোমবার (১২ফেব্রুয়ারি) মানববন্ধণ কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সকাল ১১ টায় নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে পালিত হয় এই কর্মসূচি। নির্ধারিত সময়ের আগে থেকেই নগরীর সকল থানা ও ওয়ার্ড থেকে বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীর মিছিল সমাবেশস্থলে এসে হাজির হয়।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, নয় বছরের দুঃশাসনকে আরো দীর্ঘায়িত করতে শেখ হাসিনার ইচ্ছায় আদালত সাজানো পাতানো বানোয়াট মামলায় খালেদা জিযাকে জেলে পাঠিয়েছে। ১৬ কোটি মানুষ এ রায়ে মর্মাহত, হতাশ, ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সরকার দেশের স্বার্থ বিরোধী কাজ করেছ, দেশকে ভারতের বাজারে পরিণত করেছে, গণমাধ্যমের কন্ঠরোধ করেছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করেছে, প্রধান বিচারপতিকে বন্দুকের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে, ইসলামি মূল্যবোধকে পদদলিত করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সাজানো পাতানো ভোট করতে চায়। সে চেষ্টা করা হলে পরিণতি ২০১৩, ২০১৪,২০১৫ সালের চাইতেও ভয়াবহ হবে বলে হুঁশিয়ার করেন তিনি।

সভা থেকে খুলনায় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালে বিনা উস্কানিতে পুলিশের দফায় দফায় হামলা এবং দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান দীপু, শামসুজ্জামান চঞ্চলসহ গ্রেফতারের শিকার হয়ে কারাগারে আটক সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়। সভা থেকে খুলনায় দায়ের হওয়া পুলিশের মিথ্যা বানোয়াট মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়।

বিএনপির নেতা আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় এ সময় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাবেক এমপি কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সাবেক এমপি মুজিবর রহমান, খানজাহান আলী থানা বিএনপি সভাপতি মীর কায়সেদ আলী, নগর বিএনপির উপদেষ্টা জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সহ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, নগর বিএনপির যুব সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, মহিলা দল সভাপতি সৈয়দা রেহানা আক্তার, নগর যুবদল সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু, নগর স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি আজিজুল হাসান দুলু, নগর শ্রমিক দল সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান, নগর ছাত্রদল সভাপতি শরিফুল ইসলাম বাবু। কর্মসূচির শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন ওলামা দল নেতা মাওলানা আব্দুল গফফার।


এক্সক্লুসিভ


সাক্ষাৎকার

Ad Space

আইন-আদালত


শিল্প-সাহিত্য

Ad Space

ভ্রমণ

ফিচার

Ad Space

পরিবেশ

Ad Space

আবহাওয়া

Ad Space

রাশিফল


Ad Space