৪৮ ঘন্টার ধর্মঘটসহ দ্বিতীয় দফার কর্মসূচি শুরু


জানুয়ারি ১২ ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার: খুলনা অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত ৮পাটকলে ১১ দফা দাবী আদায়ে চলছে টানা ১৩ কর্মদিবসের কর্মবিরতি। এ অবস্থায় আন্দোলনের দ্বিতীয় দফার কর্মসূচি শুরু হল শুক্রবার (১২জানুয়ারি) থেকে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল সিবিএ-ননসিবিএ পরিষদ ঘোষিত কর্মসূচির প্রথমদিন শুক্রবার বিকেলে খালিশপুর পিপলস গোল চত্বরে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। পরিষদের আঞ্চলিক কমিটির আহবায়ক সরদার আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন শ্রমিকনেতা সরদার মোতাহার উদ্দীন, মো: সোহরাব হোসেন, এস এম জাকির হোসেন, খলিলুর রহমান ও বেল্লাল হোসেন। জনসভায় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

বকেয়া মজুরি প্রদানের দাবিতে গত ২৮ ডিসেম্বর সকালে খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত ক্রিসেন্ট, প্লাটিনাম, স্টার, ইস্টার্ণ, দৌলতপুর ও যশোরের জেজেআই জুট মিলের শ্রমিকরা উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। ঐদিন সন্ধ্যায় আলিম জুট মিল এবং ৩০ ডিসেম্বর সকালে খালিশপুর জুট মিলের শ্রমিকরাও উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। মিলগুলোর উৎপাদন এখনও বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকের ৪ থেকে ১৩ সপ্তাহের মজুরি বকেয়া রয়েছে। সব মিলিয়ে শ্রমিকদের পাওনার পরিমাণ প্রায় ৬০কোটি টাকা।

মজুরি প্রদানসহ ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে সারাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের সিবিএ-ননসিবিএ নেতাদের কেন্দ্রীয় বৈঠকে নতুন কর্মসূচি প্রণয়ন করে গত ৯জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তা ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৩ জানুয়ারি ঢাকা ও চট্রগ্রামে সকাল ১০টায় গেট সভা, ১৫ জানুয়ারি পাটশিল্প অধ্যুষিত জেলাগুলোতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ, ১৭ জানুয়ারি বেলা ১১টায় লাল পতাকা মিছিল, ২১ জানুয়ারি রাজপথে লাঠি মিছিল, ২৪ জানুয়ারি থালা-বাসন হাতে ভুখা মিছিল, ২৫ জানুয়ারি সাংবাদিক এবং পেশাজীবী সংগঠনগুলোর সাথে মতবিনিময় সভা, ২৬ জানুয়ারি স্ব-স্ব শিল্প এলাকায় বিকেল ৩টায় শ্রমিক জনসভা, ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি ৪৮ ঘন্টার ধর্মঘট, ৩১ জানুয়ারি সকাল ৮ থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রাজপথ-রেলপথ অবরোধ।


এক্সক্লুসিভ


সাক্ষাৎকার

Ad Space

আইন-আদালত


শিল্প-সাহিত্য

Ad Space

ভ্রমণ

ফিচার

Ad Space

পরিবেশ

Ad Space

আবহাওয়া

Ad Space

রাশিফল


Ad Space