‘যশোর রোডের শতবর্ষী গাছ কাটার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে’


জানুয়ারি ১৫ ২০১৮

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে শরণার্থী হয়েছিলেন বহু মানুষ। নিরাপদে ভারত যেতে তারা বেছে নেন যশোর রোড। এই রোড বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ সড়ক হিসেবে এখনও গুরুত্বপূর্ণ। মহান মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্তিম বন্ধু মার্কিন কবি ও গীতিকার অ্যালেন গিন্সবার্গ এই রোড নিয়েই লিখেছেন ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ কবিতা।

সম্প্রতি যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করতে এই মহাসড়কের দুই ধারে নতুন-পুরনো মিলিয়ে আড়াই থেকে তিন হাজার গাছ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। একদিকে ঐতিহ্যবাহী অন্যদিকে পরিবেশ দুটির স্বার্থে এই গাছকে রক্ষা করতে হবে। এভাবে বললেন জনউদ্যোগ, খুলনার প্রতিবাদ সভায় নাগরিক নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, যশোর রোডের এসব গাছ রেখেই রাস্তা করার পথ খুঁজতে হবে। গাছ কাটার সিদ্ধান্ত মোটেও ঠিক নয়। এটা কোনো কাজ হতে পারে না। ঐতিহ্যবাহী এসব গাছ রেখে কিভাবে রাস্তা বা অন্যান্য উন্নয়ন করা যায়; তার ব্যাপারে চিন্তা করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, গাছ রক্ষা করে যদি রাস্তা নাই করতে পারে তবে সে প্রকৌশলীর দরকার কী? যেকোনও মূল্যেই গাছগুলো রাখতে হবে; এগুলো কাটা যাবে না। কারণ প্রাচীন এই গাছগুলো কোন মূল্য দিয়ে পাওয়া যাবে না। তাই যে পরিকল্পনাই করা হোক; তা করতে হবে গাছ রেখেই।

সোমবার (১৫জানুয়ারি) বেলা ১১টায় কনসেন্স মিলনায়তনে জনউদ্যোগ,খুলনার আয়োজনে যশোর রোডের শতবর্ষী গাছ কাটার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জনউদ্যোগ,খুলনার আহবায়ক এ্যাড: কুদরত-ই-খুদা। সভা পরিচালনা করেন জনউদ্যোগ,খুলনার সদস্য সচিব মহেন্দ্র নাথ সেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কনসেন্সের নির্বাহি পরিচালক সেলিম বুলবুল, খুলনা পোল্ট্রি ফিস ফিড শিল্প মালিক সমিতির মহাসচিব এস এম সোহরাব হোসেন, সমাজসেবক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন আহমেদ , সেফের সমন্বয়কারি আসাদুজ্জামান, দীপক দে, কবি রুহুল আমিন সিদ্দিকি,  অনিমেশ চক্রবর্ত্তী, পরিেেতাষ শীল , প্রদীপ দে প্রমুখ। খবর বিজ্ঞপ্তির

 


এক্সক্লুসিভ


সাক্ষাৎকার

Ad Space

আইন-আদালত


শিল্প-সাহিত্য

Ad Space

ভ্রমণ

ফিচার

Ad Space

পরিবেশ

Ad Space

আবহাওয়া

Ad Space

রাশিফল


Ad Space