বঙ্গবন্ধু অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সারা জীবন কাজ করে গেছেন: মৎস্য মন্ত্রী


জানুয়ারি ১০ ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক মুক্তির জন্য সারা জীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করি। এই স্বাধীনতার অর্জনের মূল নায়ক ছিলো বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে এদিন স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এই জন্য দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনার ফুলতলা স্বাধীনতা চত্ত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নিরষ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পাশাপাশি বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তিও চেয়েছিলেন। যে লক্ষ্যে সদ্যস্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুর্নগঠনের কাজ করে ছিলেন। তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিতে নিরলস প্রয়াস চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল। মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬শত ১০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করে যেতে হবে। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি এবং খুব শীঘ্রই মাছে ও দুধেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে সক্ষম হবো। নানা ষড়যন্ত্রে  বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতু নির্মাণে তাদের অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে কিছুতেই পিছপা হননি। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুসহ বড় বড়  প্রকল্প নির্মাণ কাজ  শুরু করেছেন। পদ্মাসেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের বিরাট পরিবর্তন ঘটবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাজী আশরাফ হোসেন আশুর সভাপতিত্বে এসময় ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশরুবা ফেরদৌস, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বিএমএ সালাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পি এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মৃণাল হাজরাসহ আওয়ামী লীগ ও তাঁর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে তিনি ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন এ্যাম্বুলেন্স এর উদ্বোধন করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট চাবি হস্তান্তর করেন।

পরে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফুলতলা প্রেসক্লব, প্রেসক্লাব ফুলতলা ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মন্ত্রী হওয়ার জন্য ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে মৎস্য মন্ত্রী সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী মরহুম সালাহ উদ্দিন ইউসুফের কবর জিয়ারত করেন। সকালে তিনি যশোর নওয়াপাড়া পীর সাহেবের মাজার জিয়ারত করেন।

বিকেলে মন্ত্রী ডুমুরিয়া কলেজ মাঠে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন।

 


এক্সক্লুসিভ


সাক্ষাৎকার

Ad Space

আইন-আদালত


শিল্প-সাহিত্য

Ad Space

ভ্রমণ

ফিচার

Ad Space

পরিবেশ

Ad Space

আবহাওয়া

Ad Space

রাশিফল


Ad Space