নায়করাজ রাজ্জাককে মরনোত্তর আজীবন সম্মাননা দেবে ট্রাব


জানুয়ারি ২৬ ২০১৮

নায়করাজ রাজ্জাককে চলচ্চিত্র অভিনয়, পরিচালনা ও প্রযোজনায় সারা জীবনের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ মরনোত্তর ট্রাব আজীবন সম্মাননা অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করবে টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব)।

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় ঢাকার কাকরাইল ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে ট্রাব অ্যাওয়ার্ড-২০১৭ প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নায়করাজ রাজ্জাককে এ সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হবে। নায়করাজ রাজ্জাকের পক্ষে তার পরিবারের কোন সদস্যের হতে ট্রাব আজীবন সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড তুলে দেয়া হবে।

ভারতের টালিগঞ্জের ফিল্মপাড়ার কাছেই ছিল নায়করাজ রাজ্জাকের পৈতৃক বাড়ী। ছোটবেলা থেকেই কানন দেবী,বসন্ত চৌধুরী, ছবি বিশ্বাসদের চলচ্চিত্র দেখে মনে মনে তাদের মত বড় অভিনেতা হবার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। ঢাকায় আসার পর জহির রায়হান ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রের নায়ক বানিয়ে দেন রাজ্জাককে। ১৯৬৬ সালে বেহুলা চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। কলেজ জীবনে ২২ বছর বয়সে “রতন লাল বাঙালী” চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। তৎকালীণ পাকিস্তান টেলিভিশনে ঘরোয়া নামের ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান। এরপর চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল জব্বার খানের সঙ্গে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান। নায়করাজ রাজ্জাক তিন শতাধিক বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ১৬টি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। ৫ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আজীবন সম্মাননা ও স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন নায়করাজ রাজ্জাক। বাচসাস পুরস্কার, ট্রাব অ্যাওয়ার্ড, বিসিআরএ অ্যাওয়ার্ডসহ শতাধিক পুরষ্কারে ভূষিত হন তিনি। টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) এর নির্বাহী কমিটি এবং ট্রাব অ্যাওয়ার্ড-২০১৭ অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটি চলচ্চিত্র অভিনয়, পরিচালনা ও প্রযোজনায় সারা জীবনের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তাকে মরনোত্তর “ট্রাব আজীবন সম্মান অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। খবর বিজ্ঞপ্তির


এক্সক্লুসিভ


সাক্ষাৎকার

Ad Space

আইন-আদালত


শিল্প-সাহিত্য

Ad Space

ভ্রমণ

ফিচার

Ad Space

পরিবেশ

Ad Space

আবহাওয়া

Ad Space

রাশিফল


Ad Space