নৌবাহিনী একটি ভারসাম্যপূর্ণ বাহিনীতে রূপান্তরিত হতে চলেছে :নৌবাহিনী প্রধান


ডিসেম্বর ৪ ২০১৭

স্টাফ রিপোর্টার: নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ বলেছেন,  ২০৩০ সালের মধ্যে নৌবাহিনীকে একটি আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে বিভিন্ন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতে এ বাহিনী আজ একটি ভারসাম্যপূর্ণ নৌবাহিনীতে রূপান্তরিত হতে চলেছে।

তিনি সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে খুলনাস্থ নৌ ঘাঁটি বানৌজা তিতুমীর প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২০১৭-বি ব্যাচের ৭৭৫ জন নবীন নাবিকের  শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ-এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

 

নৌবাহিনী প্রধান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শিতা এবং তাঁর সুযোগ্য উত্তরসুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশের ক্রমাগত অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ সামরিক বাহিনী এবং সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের সুদূঢ় প্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নৌবহরে যুক্ত হয়েছে সর্বোচ্চ সংখ্যক যুদ্ধজাহাজ, মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার ও বিশেষায়িত ফোর্স সোয়াড্স। আরও দু’টি মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট ক্রয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।  চলতি বছরের মার্চে দু’টি সাবমেরিন সংযোজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এখন ত্রিমাত্রিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া পটুয়াখালীর রাবনাবাদ এলাকায় নৌবাহিনীর একটি ঘাঁটি, ঢাকার খিলক্ষেতে একটি পূর্ণাঙ্গ নৌঘাঁটি এবং চট্টগ্রামের পেকুয়ায় একটি সাবমেরিন ঘাঁটির নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।  তিনি আরও বলেন, নবীন নাবিক প্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণের মান ও অন্যান্য সুবিধাদি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও ব্যাপক পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা হয়েছে। এ স্কুলটিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য একটি মানসম্পন্ন ১০তলা বিশিষ্ট মাল্টিপারপাস ভবনের নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। তিনি নবীন নাবিকদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান দায়িত্বে নিজেদের আত্মনিয়োগ করার পরামর্শ দেন।

 

নৌবাহিনীর ২০১৭-বি ব্যাচের নবীন নাবিকদের মধ্যে শেখ মোহাম্মদ রাসেল, ডিই/এমএ-২/ইউটি পেশাগত ও সকল বিষয়ে সেরা চৌকস নাবিক হিসেবে ‘নৌ প্রধান পদক’ লাভ করেন। এছাড়া মোঃ হোসাইন, উিই/ইউসি/ইউটি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ‘কমখুল পদক’ এবং মোঃ মাহমুদুল হাসান, ডিই/ইউসি/ইফটি তৃতীয় স্থান অধিকার করে ‘তিতুমীর পদক’ লাভ করেন।

 

মনোজ্ঞ এ কুচকাওয়াজে অন্যান্যর মধ্যে সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স),খুলনা নৌ অঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার, খুলনা ও যশোর এলাকার পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবগর্, সাংবাদিকবৃন্দ এবং নবীন নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

এক্সক্লুসিভ

সাক্ষাৎকার

আইন-আদালত

শিল্প-সাহিত্য

ভ্রমণ

ফিচার

পরিবেশ

আবহাওয়া

রাশিফল


Ad Space