সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১ পৌষ ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

‘সুস্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য প্রয়োজন’

স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৯এপ্রিল) সকালে খুলনার স্কুল হেলথ ক্লিনিক সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সহায়তায় জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার গ্রহণে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ব করতে হবে। সুস্বাস্থ্যের জন্য পরিমিত পুষ্টিকর খাদ্যের প্রয়োজন। শুধু বেশি দামের খাবারে পুষ্টিগুণ রয়েছে তা নয়, কচু শাকসহ বাজারে বিভিন্ন রকমের কম দামের খাবারেও পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। শাকসবজি বেশি করে খেতে হবে। ঘরে তৈরি খাবার স্বাস্থ্যসম্মত তাই বাইরের খাবার পরিহার করে বাড়িতে তৈরি খাবার খেতে সবাইকে উৎসাহ দিতে হবে। সাধারণ মানুষের পুষ্টিজ্ঞানের অভাব দূর করতে সচেতনদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন সিভিল সার্জন ডাঃ এএসএম আব্দুর রাজ্জাক, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মাহাবুবুর রহমান, শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ সরাফাত হোসোইন, ডাঃ উৎপল কুমার চন্দ্র এবং ডাঃ আঞ্জুমানারা খাতুন প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ। এসময় বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে অতিথিরা জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থী এবং মেলার স্টল প্রতিনিধিদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
দুপুরে একই স্থানে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন মিডিয়ার প্রতিনিধিদের সাথে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পুষ্টি সপ্তাহ চলাকালীন জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর অবদান রাখার জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ এএসএম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, বর্ণাঢ্য র্যালি, পুষ্টি গাড়ির মাধ্যমে প্রচারনা, শিশু ও মাতৃপুষ্টি এবং ব্রেস্ট ফিডিং বিষয়ক কাউন্সেলিং সভা, স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার নির্বাচন প্রতিযোগিতা, পুষ্টি শিক্ষার ওপর স্কুল-কলেজে একঘন্টা পাঠদান, নিউট্রিশন অলিম্পিয়াড, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পুষ্টি বিষয়ে ধারণার ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। এই কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন গণমাধ্যম কর্মীরা।

Related posts