মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯ | ২৭ কার্তিক ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

সুন্দরবন এলাকায় ৫ প্রতিষ্ঠানকে শিল্পস্থাপনে ছাড়পত্র

এসবিনিউজ ডেস্ক:  সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্টের বাইরের সঙ্কটাপন্ন এলাকায় শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনে পরিবেশগত ছাড়পত্র পেয়েছে ৫টি সিমেন্ট কারখানা। যেগুলোর মাধ্যমে বায়ু দূষণের সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার ১০ কিলোমিটার এলাকাকে প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করলেও এর ৬ কিলোমিটারের মধ্যেই দেওয়া হয়েছে শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মাণের অনুমতি।

শনিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুন নেসা খান ও মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের টেবিলে উত্থাপিত পৃথক দুই প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

ছাড়পত্র দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- মেঘনা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড, বসুন্ধরা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড, মংলা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড, দুবাই-বাংলা সিমেন্ট মিলস লিমিটেড এবং হোলসিম (বাংলাদেশ) লিমিটেড

মন্ত্রী বলেন বলেন, ‘কারখানাগুলো সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকা থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে স্থাপিত হচ্ছে। এগুলোর মাধ্যমে যাতে পরিবেশ দূষণ না হয়, সেজন্য পরিবেশ অধিদপ্তর নিয়মিত পরিবীক্ষণ করছে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছে। সুন্দরবনের কাছাকাছি স্থানে এলপিজি প্লান্টসহ বেশকিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান থাকলেও সেগুলো দূষণকারী নয়।’

মন্ত্রী জানান, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫’-এর ৫ (১) ধারার ক্ষমতাবলে ১৯৯৯ সালে সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্টের বাইরের চারদিকে ১০ কিলোমিটার এলাকাকে সরকার প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে।

তিনি বলেন, ‘সুন্দরবনের প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকায় পরিবেশ দূষণকারী শিল্পকারখানা স্থাপনে পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়া হয় না। সুন্দরবন ইসিএ এলাকায় অবস্থিত বিদ্যমান শিল্প কারখানা গুলোতে মালিকগণ কর্তৃক পরিবেশ ও প্রতিবেশ দূষণের প্রয়োজনীয় প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

 

 

Related posts