সোমবার, ২৭ মে ২০১৯ ♦ ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

‘সুন্দরবন অঞ্চলে ডলফিনের অবাধ বিচরণ অক্ষুন্ন রাখতে হবে’

স্টাফ রিপোর্টার: সুন্দরবনে ডলফিন রক্ষায় পর্যটন শিল্পের ভূমিকা নিয়ে মঙ্গলবার (২৩এপ্রিল) খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় খুলনা বন বিভাগ এই কর্মশালার আয়োজন করে।
‘গুরুত্বপূর্ণ জলজ প্রতিবেশ ব্যবস্থাপনার জন্য রক্ষিত এলাকা সম্প্রসারণ প্রকল্প’ এর অধীনে সুন্দরবন ও তার আশপাশে ডনফিন রক্ষায় বন বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। এই প্রকল্পের অন্যতম কাজ হলো ডলফিনের গুরুপূর্ণ আবাসস্থল চিহ্নিত করা, ডলফিনের তথ্যাবলি সংগ্রহ, সংরক্ষিত এলাকায় ব্যবস্থাপনা উন্নীত করা, মৎস্যসম্পদের ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে ডলফিনের অবাধ বিচরণ বৃদ্ধি করা।
কর্মশালায় জানানো হয়, দেশি-বিদেশি প্রচুর পর্যটক প্রতিনিয়ত সুন্দরবন ভ্রমণ করছেন। সুন্দরবন কেন্দ্রিক ৬৯টি পর্যটন সংস্থা গড়ে উঠেছে। এই ৬৯টি পর্যটন সংস্থায় নিয়োজিতরা যদি আগত পর্যটকদের ডলফিন রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে তাহলে সুন্দরবন অঞ্চলে ডলফিনের অবাধ বিচরণ অক্ষুন্ন থাকতে পারে। পর্যটকদের মাধ্যমে যাতে সুন্দরবনের দূষণ না ঘটে সেদিকে সুদৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, সুন্দরবন অঞ্চলে বিপদাপন্ন গাঙ্গেয় শুশুক ও ইরাবতি শুশুক এর আবাসস্থল। যে অঞ্চলে ডলফিন সুস্থ্যভাবে বেঁচে থাকতে পারে সেখানে অন্যান্য প্রাণীর বেঁচে থাকার পরিবেশও আছে বলে ধারণা করা হয়।
কর্মশালার উদ্বোধন করেন খুলনা সার্কেলের বন সংরক্ষক মোঃ আমির হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের ফরেষ্ট্রি এন্ড উড টেকনলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শরিফ হাসান লিমন, প্রকল্প পরিচালক মদিরুল আহসান এবং সুন্দরবন ট্যুর অপারেটর এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল আজম ডেভিড।

Related posts