বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

‘শেখ হাসিনা অন্ধকারে আলোর দিশারী’

স্টাফ রিপোর্টার: আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা অন্ধকারে আলোর দিশারী। তিনি বাঙালি জাতির আলোক বর্তিকা নিয়ে ১৯৮১ সালে রক্তাক্ত বাংলায় ফিরেছিলেন। তিনি ক্ষতবিক্ষত নির্যাতিত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে বাক স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক অধিকার পুন:প্রতিষ্ঠার কাজে গ্রামেগঞ্জে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তিনি সারা দেশে ঘুরে বাংলার জনগণকে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সুসংগঠিত করেছিলেন। সেকারনেই জাতির পিতাকে হত্যার পরে দীর্ঘ ২১ বছর পরে দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসে। সেই থেকেই জনগণের বাকস্বাধীনতা, উন্নয়ন আর গণতন্ত্রের ভীত রচিত হতে থাকে। মাঝপথে বিএনপি জামায়াতের দু:শাসনে সেই গণতন্ত্র হোচট খায়। জনগণ বুঝতে পেরে ২০০৮ সালে পুনরায় জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ম্যানডেট দিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়নে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা আনে। সেই থেকেই বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে অদম্য উন্নয়নে। সেকারনেই আজ দলমত নির্বিশেষে দেশ ও জাতির উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
শুক্রবার সদর থানা আওযামী লীগ আয়োজিত ইফতার মাহফিল পূর্ব শেখ হাসিনা’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ ও সদর থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রিয় নেত্রী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ্ উদ্দিন জুয়েল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক শেখ সোহেল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান, খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, খুলনা জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, শেখ হায়দার আলী, কাজী এনায়েত হোসেন, এ্যাড. এম এম মুজিবর রহমান, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, এ্যাড. রজব আলী সরদার, এমডিএ বাবুল রানা, নুর ইসলাম বন্দ, আবুল কালাম আজাদ, আবুল কালাম আজাদ কামাল, মো. আশরাফুল ইসলাম, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, শ্যামল সিংহ রায়, মকবুল হোসেন মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, ফেরদৌস আলম চান ফারাজী, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, অধ্যা. আলমগীর কবীর, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, কামরুল ইসলাম বাবলু, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, মো. শহিদুল ইসলাম, শেখ মোশাররফ হোসেন, মো. শাহাজাদা, শেখ সৈয়দ আলী, একেএম সানাউল্লাহ নান্নু, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, তসলিম আহমেদ আশা, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, মো. তরিকুল ইসলাম খান, কাজী জাহিদুল ইসলাম, কাউন্সিলর মো. আনিসুর রহমান বিশ্বাষ, কাউন্সিলর শেখ মো. গাউসুল আযম, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, কাউন্সিলর আরিফ হোসেন মিঠু, কাউন্সিলর আলহাজ্ব ইমাম হাসান চৌধুরী ময়না, কাউন্সিলর মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, মনিরুজ্জামান সাগর, রনজিত কুমার ঘোষ, শেখ মো. আবু হানিফ, শফিকুর রহমান পলাশ, শেখ মো. ফারুক হাসান হিটলু, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেলসহ প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মী এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আ খ ম জাকারিয়া।

Related posts