রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

রূপান্তর গ্লোবাল প্লুরালিজম এ্যাওয়ার্ড-এর ফাইনালিস্ট মনোনীত

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থ রূপান্তর ২০১৯ সালের গ্লোবাল প্লুরালিজম এ্যাওয়ার্ড-এর ফাইনালিস্ট মনোনীত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯এপ্রিল) খুলনা প্রেস ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্য গ্লোবাল সেন্টার ফর প্লুরালিজম-এর কর্মকর্তা কেটি ও’ব্রায়ান আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন। ফাইনালিস্ট ১০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সেরা তিনটিকে আগামী নভেম্বরে কানাডায় আনুষ্ঠানিকভাবে পুরষ্কৃত করা হবে।
অনুষ্ঠানে রূপান্তরের নির্বাহী কর্মকর্তাদ্বয় স্বপন কুমার গুহ ও রফিকুল ইসলাম খোকন, খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম হাবিব, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কেটি ও’ব্রায়ান বলেন, ২০১৯ সালের গ্লোবাল প্লুরালিজম এ্যাওয়ার্ড-এর জন্য মোট ৫৩৮টি আবেদনপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ৭৪টি দেশের ৩০০ আবেদনকে বিবেচনায় আনা হয়। পরে এখান থেকে বাছাই করে ১০টি সংস্থাকে ফাইনালিস্ট হিসেবে মনোনীত করা হয়। কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জোয়ে ক্লার্কের নেতৃত্বে একটি বিজ্ঞ জুরিবোর্ড এই বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন। আগামী জুন মাসে জুরিবোর্ড বিজয়ীদের নির্বাচিত করবেন। নভেম্বর মাসে এ পুরষ্কার দেয়া হবে। গত এপ্রিল এবং চলতি মে মাসে দ্য গ্লোবাল সেন্টার ফর প্লুরালিজম-এর কর্মকর্তাবৃন্দ ফাইনালিস্ট সংস্থাসমূহে পরিদর্শন করে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যাদি সংগ্রহ করার কাজ করছেন। বিজয়ী তিনটি প্রতিষ্ঠান ৫০ হাজার কানাডীয় ডলার করে পুরষ্কারলাভ করবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপান্তর ফাইনালিস্ট হিসেবে মনোনীত হওয়ায় তারা ভীষণ খুশী।
১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত রূপান্তর এখন বাংলাদেশে জনসচেতনীকরণ ও সামাজিক সমাবেশীকরণে (Community Mobilization)অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাটি কাজ করছে মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তি ও সম্ভাবনা উন্মুক্ত করার জন্য। গ্রাম, নগর এবং দুর্গম এলাকাগুলিতে জনসম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে মুক্ত মন নিয়ে সঙ্কট ও সম্ভাবনামূলক আলোচনার মাধ্যমে সনাক্ত করা এবং উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের সক্ষমতা সৃষ্টি করছে। তাদের কর্মসূচিগুলির মূল কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে, গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, শান্তি ও সহিষ্ণুতা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজন, শিশু ও যুব অধিকার এবং লোকপ্রিয় মাধ্যম ও লোকনাট্য। মানুষের মধ্যকার কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণা দুর করে বহুমাত্রিক সমাজ এবং সামাজিক সুসঙ্গতি বিনির্মাণে রূপান্তর ব্যবহার করছে ইতিবাচক এবং বহুমাত্রিক সংস্কৃতি। এটা রূপান্তরকে শীর্ষ দশে তুলে এনেছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রূপান্তর সেরা তিনে স্থান পাবে কি-না তা’ তিনি এই মুহূর্তে বলতে পারছেন না। রূপান্তরের কর্মসূচীসমূহে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ, সহযোগী সংস্থাসমূহ এবং অংশীজনদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই তথ্য জুরিবোর্ডে পেশ করা হবে। বিজ্ঞ জুরিরাই সিদ্ধান্ত নেবেন রূপান্তর সেরা হবে কি না।
খুলনা পেস ক্লাবের সভাপতি খুলনায় আসার জন্য এবং রূপান্তর-কে ফাইনালিস্ট নির্বাচিত করার জন্যে কেটি ও’ব্রায়ান এবং দ্য গ্লোবাল সেন্টার ফর প্লুরালিজম-কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

Related posts