রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ ♦ ২ আষাঢ় ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

‘মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে’

বাগেরহাট প্রতিনিধি: ৭১-এর ডাকরা গণহত্যার সাথে জড়িত দোসরদের বিচার করতে হবে। শহীদ পরিবারের অসহায় সদস্যদের পূর্ণবাসন করতে হবে। গণহত্যাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিয়ে যারা মূল পরিকল্পনাকারী ও হত্যাকারী সেই পাকিস্তানিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। ডাকরা গণহত্যা দিবসের আলোচনাকালে বক্তারা এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার (২১ মে) একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে ডাকরা গণহত্যা বধ্যভূমিতে পুষ্পকস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে দিবসটি পালিত হয়।
পরে ডাকরা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড: আব্দুল জলিল সরদার। মূখ্য আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন। সভা পরিচালনা করেন লেখক ও সাংবাদিক দিপেন্দু দ্বীপ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা অতীন্দ্রনাথ হালদার, ডাকরা বধ্যভূমির সভাপতি প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, শিক্ষক বিষ্ণুপদ বাগচী, সমীরণ সাহা, রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, মুক্তিযোদ্ধা শেখ সরোয়ার হোসেন, শহীদ পরিবারের সন্তান প্রাণকৃষ্ণ হালদার, ঝুমুর রায়, শেখ মনিরুল ইসলাম, সাংবাদিক শুভ দত্ত সৌরভ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে খুলনা-বাগেরহাট অঞ্চলে এদিন (২১-মে) বর্বরতম এ হত্যাকান্ড ঘটে। রামপাল উপজেলার কালীগঞ্জ নদীর তীরের ডাকরায় পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী আল-বদর ও রাজাকাররা নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করেছিল প্রায় ৫শ’ নারী-পুরুষ শিশুসহ সাধারণ মানুষকে। বাগেরহাটের পিস কমিটির প্রধান কুখ্যাত রাজাকার রজব আলী ফকিরের নেতৃত্বে ইতিহাসের এ জঘন্যতম হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

Related posts