মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯ ♦ ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকাশে অ্যলামনাইদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে: উপাচার্য

স্টাফ রিপোর্টার: শনিবার ( ১৬ মার্চ) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যলামনাই এসোসিয়েশন অব বিজনেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিসিপ্লিন (এএবিএডি) এর উদ্যোগে ৭ম সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সকাল সাড়ে দশটায় ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনের সামনে লেকের পাড় থেকে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামানের নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যান্টিনের সামনে থেকে হাদী চত্ত্বর ও কেন্দ্রীয় শহিদমিনার হয়ে আচার্য জগদ্বীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পরে একই ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে উদ্বোধন ও স্মৃতিচারণমূলক সভার আয়োজন করা হয়। এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শরীফুল আলম লেলিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। তিনি বলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জানুয়ারি থেকে অবিরামভাবে বিভিন্ন প্রোগ্রাম চলছে। এখন ক্যাম্পাস প্রায় সারা বছরই উৎসবমূখর থাকে। একের পর এক এ ধরনের অনুষ্ঠান, কর্মসূচি হচ্ছে। পুনর্মিলনী বা এ ধরনের সম্মেলন পারস্পারিক যোগাযোগ বাড়ায়, সংগঠনকে শক্তিশালী করে। ক্যাম্পাসে ফিরলে মনটা সেই ছাত্রজীবনে ফিরে যায়। মধুর স্মৃতিগুলো মনে পড়ে। মাঝে মাঝে এমন সম্মেলন হওয়া দরকার।
তিনি বলেন উন্নত বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে এলামনাইরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তারা নানাভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে সহযোগিতা করে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে আজ একটি মর্যাদার আসনে উন্নীত করার পেছেনে যে ডিসিপ্লিনগুলোর প্রাক্তন গ্রাজুয়েটরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে তার মধ্যে ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিন অন্যতম বলে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, দেশে-বিদেশে সরকারি-বেসরকারি, আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক, বহুজাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তারা সততা, নিষ্ঠা, দক্ষতা, সুনামের সাথে কাজ করছে এবং নেতৃত্বও দিচ্ছে। তাদের এই পেশাগত উৎকর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক উপরে তুলে এনেছে।
উপাচার্য বলেন, প্রকৃতপক্ষে এলামনাইরা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দূত, প্রতিনিধি। তাদের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় অনেক দিকেই উন্নতি সাধন করতে পারে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক বিকাশে এলামনাইদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। উপাচার্য বলেন, আমরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি কোয়ালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে তিনি অবদান রাখার জন্য এলামনাইদের প্রতি আহবান জানান এবং দিনব্যাপী এ সম্মেলনের সাফল্য কামনা করেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমেদ এবং ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর মোঃ মিজানুর রহমান।
এ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মোঃ মনিরুজ্জামান অংশগ্রহণের মাধ্যমে সপ্তম সম্মেলন প্রাণবন্ত ও সফল করার জন্য সকল এলামনাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গালিব হামিদ প্রতীক। পরে ডিসিপ্লিনের যে সকল শিক্ষার্থী বিগত সময়ে মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এছাড়া থিম সং পরিবেশন ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বিকাল ৫ টায় মুক্ত মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্ট। উল্লেখ্য, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯০-৯১ শিক্ষাবর্ষে যে চারটি ডিসিপ্লিন নিয়ে শিক্ষাকার্যক্রমের সূচনা হয় তার মধ্যে ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিন অন্তর্ভূক্ত ছিলো।

Related posts