মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ ♦ ৪ পৌষ ১৪২৫

Select your Top Menu from wp menus

বাংলাদেশকে আর পিছনে যেতে দেবো না: তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার: তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখতে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তি, সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদের দোসরদের প্রত্যাখ্যান করতে হবে। বাংলাদেশ আজ আলোর পথে হাঁটছে, তাকে আর পিছনে যেতে দেবো না।

রোববার (১২ আগষ্ট) খুলনা বেতার চত্বরে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্য উদ্বোধনকালে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, দেশে আজ সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে য্দ্ধু চলছে। যুদ্ধের চশমা দিয়ে আমরা বাংলাদেশকে দেখতে চাই।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হলেন বাংলাদেশের এপিঠ-ওপিঠ। বঙ্গবন্ধু একটি পতাকা, তিনি একটি দেশ, তিনি একটি রাষ্ট্র, তিনি এক বিপ্লব, তিনি একটি অভ্যুত্থান।

সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক নারায়ণ চন্দ্র শীল। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট তারানা হালিম, খুলনার সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, তথ্য সচিব আব্দুল মালেক, বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ। স্বাগত জানান বেতারের কর্মসূচি পরিচালক মোঃ জাকির হোসেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট তারানা হালিম বলেন, বঙ্গবন্ধু হলেন বাংলাদেশের সমার্থক। বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্ন-অবিভক্ত, তিনি বিশ্বনেতা, শ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক। আর শেখ হাসিনা হলেন আমাদের মাথার ছাতা।

তথ্য সচিব আব্দুল মালেক বলেন, বাংলাদেশের পতাকা আজ মহাসাগর থেকে মহাকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত। সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে আজ দেশের সরকারি কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আমাদের এই পথচলাকে কেউ রুদ্ধ করতে পারবে না।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার মোঃ রকিবুল ইসলাম, খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিন উল আহসান, বাংলাদেশ বেতারের উপ-মহাপরিচালক (বার্তা) হোসনে আরা তালুকদার, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ কামরুজ্জামান, উপ-মহাপরিচালক-(অনুষ্ঠান) সালাউদ্দীন আহমেদ এবং পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) খান মোঃ রেজাউল করিমসহ বেতারের সকল কর্মকর্তা ও কলাকুশলীগণ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে তথ্যমন্ত্রী আট কোটি ২৯ লাখ ৯১ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিভাস্কর্যের ফলক উম্মোচন করেন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু স্মৃতিভাস্কর্যে স্কাল্পচার বেইজ, এক্সিভিশন গ্যালারী, এম্ফি থিয়েটার, ফাউন্টেন, গ্রিন্ডল্যান্ড স্কেপিং, ইন্টারনাল রোড, প্লান্টার বক্স, ফ্লাওয়ার বেড, মডেল অব ট্রাকচার, স্কাল্পচার, আর্ট ওয়ার্ক, স্টোরেজ ও ভাস্কর্য বেদীর চারদিকে ব্রোঞ্জের রিলিফ ওয়ার্কের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জীবনের বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশ বেতারের সহযোগিতায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে খুলনা গণপূর্ত বিভাগ বঙ্গবন্ধু স্মৃতিভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছে।

Related posts