বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ♦ ৩ আশ্বিন ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

‘বন্ধু হিসেবে সকলের কাছে প্রিয় ছিলেন বিষ্ণুদা’

স্টাফ রিপোর্টার: কবি বিষ্ণুপদ সিংহ সাধারণ জীবন যাপন করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মিশুক। যদি তাঁর সৃষ্টকর্মকে সংরক্ষণ করা যায় তা হলে তিনি সারা জীবন মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকবেন। তিনি একজন বড় মাপের কবি ছিলেন এবং বই প্রেমীও ছিলেন।

কবি বিষ্ণুপদ সিংহের মৃত্যুতে গুণীজন স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত স্মৃতিচারণ সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, কবি বিষ্ণুপদ সিংহ এর অসংখ্য কবিতা প্রকাশের মুখ দেখেনি অর্থাভাবে। এই গুণীকে স্মরণে রাখতে চাইলে তার লেখাগুলো প্রকাশের জন্য এগিয়ে আসতে হবে বিত্তবানদের। কবি বিষ্ণুপদ সিংহ খুলনার বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে নিজে সংযুক্ত রেখেছিলেন। ছোটবেলা থেকে সাহিত্যানুরাগী ও সমাজসেবায় যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। অসাম্প্রদায়িক, সংস্কৃতিমনস্ক, দেশবোধে উজ্জীবিত বিপদের বন্ধু হিসেবে সকলের কাছে বিষ্ণুদা বলে প্রিয় ছিলেন। তিনি সন্দীপন সাংস্কৃতিক সংগঠনের জন্মলগ্নের একজন কর্মী, পরবর্তী সময়ে উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, বাংলাদেশ গণশিল্পী সংস্থা, প্রতিনিধি সংস্থা, কবি সুফিয়া কামাল স্মৃতি পরিষদ, শিল্পী আবিদ স্মৃতি পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি যেমন প্রকৃতিকে ভালবাসতেন তেমনি প্রাণীর মধ্যে নিজের খাবার বিলিয়ে দিতেন। তাঁর মৃত্যুতে যে অপূরণীয় ক্ষতি তা পূরণ হবার নয়।

শনিবার বিএমএ ভবনের দ্বিতীয় তলায় গুণীজন স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে কবি বিষ্ণুপদ সিংহের স্মৃতিচারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএমএ’র সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম। সঞ্চালনা করেন নারী নেত্রী এ্যাডঃ শামীমা সুলতানা শীলু ও গুণীজন স্মৃতি পরিষদের সমন্বয়কারী সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন। মূখ্য আলোচক ছিলেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বাজার কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তরফদার, নাগরিক নেতা শাহিন জামান পণ, ন্যাপের জেলা কমিটি সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার রায়, প্রাণিপ্রেমী এস এম সোহরাব হোসেন, সেফের সমন্বয়কারী আসাদ মিরণ, নান্দিক একাডেমীর পরিচালক জেসমিন জামান, প্রভাষক আহসান হাবিব, সাংবাদিক সুনীল দাস, রাশীদুল ইসলাম বাবলু, কানাই মন্ডল, এম মোস্তফা কামাল, জাতীয় কবিতা পরিষদের এল কে টফি, মোঃ ইমদাদ আলী,  সাহিত্য সংসদের সাইফুল ইসলাম মল্লিক, শেখ অলিউর রহমান, বিশ্ব বাংলা সাহিত্যের নূরুন নাহার হীরা, লেখিকা সংঘের কৃষ্ণা দাস, উম্মুরয়েদা, মিতা সানা, হাকীম মতিয়ারা বেগম, চিশতী মোস্তারী বানু প্রমুখ। সভায় বক্তারা আলোকিত মানুষের স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নিকট দাবি জানান।

Related posts