শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯ ♦ ৮ চৈত্র ১৪২৫

Select your Top Menu from wp menus

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ভাষণ উপলক্ষে খুবিতে আনন্দ শোভাযাত্রা

স্টাফ রিপোর্টার: বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ জাতিসংঘ কর্তৃক বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য স্বীকৃতি এবং দিনটি স্মরণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়।
খুবির অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই শোভাযাত্রাটি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসনের সামনে থেকে শুরু করে হাদী চত্বর, কটকা ও কবি কাজী নজরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে দিয়ে অদম্য বাংলা হয়ে পুনরায় প্রশাসন ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে পরিষদের সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (চলতি দায়িত্ব) শেখ শারাফাত আলী, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার টিপু সুলতান, পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ তারিকুজ্জামান লিপন, পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দীপক চন্দ্র মন্ডল এবং কর্মচারিদের মধ্যে মোস্তফা আল-মামুন প্রবাল ও অমিতাভ কুমার ঘোষ। এ সময় বিভাগী প্রধান, শাখা প্রধান ও সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির অফুরন্ত প্রেরণার উৎস। এই ভাষণই বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করে। এই ভাষণই বাঙালির স্বাধীনতা অর্জনের মুলমন্ত্র এবং মুক্তির সনদ। এই কালজয়ী ভাষণের মধ্যেই স্বাধীনতা ও মুক্তির ঘোষণার সাথে সাথে আরও অনেক সুদূরপ্রসারী দিকনির্দেশনা ছিলো। ইউনেস্কো তথা জাতিসংঘের তালিকায় শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য স্বীকৃতি বাঙালি জাতির প্রাণপুরুষ, মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্বময় নতুন মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। একইসাথে বাঙালি জাতিও গৌরব বোধ করে। এই ভাষণের প্রেরণা আমাদের আর্থ-সামাজিকসহ সকল ক্ষেত্রে মুক্তি ও অগ্রগতির দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করছে এবং আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার তাগিদ দিচ্ছে।

Related posts