সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৯ ♦ ১১ ভাদ্র ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তারা সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ: সিইসি

এসবিনিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তারা একমাত্র প্রজাতন্ত্র এবং সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে দ্বিতীয় ধাপের ১২৯ উপজেলা নির্বাচনে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেন, সমন্বয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তো দূরে থাকব। জেলা, উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, পোলিং অফিসার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত থাকবেন। এখানে আছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভোটার, যাদের ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন হবে। আপনারা এসব লোকের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবেন। এঁরা আপনাদের প্রতি তাকিয়ে আছেন। সুষ্ঠু, সুন্দর, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা করবেন—এই প্রত্যাশায়।
নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে আপনাদের দক্ষতার উপরে, পারদর্শিতার উপরে, নিরপেক্ষতার উপরে নির্ভর করে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। আমি আশা করি, কখনও কারও প্রতি কোনো রকমের দুর্বলতা আপনাদের থাকবে না। কোনো পক্ষপাতিত্ব থাকবে না।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তারা একমাত্র প্রজাতন্ত্র এবং সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ। কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির উপর দায়বদ্ধ নন। কারও প্রতি কোনো রকমের দুর্বলতা, অনুরাগ, বিরাগ কোনোকিছু আপনাদের থাকবে না। কেবলমাত্র নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য যতটুকু করা দরকার ততটুকু আপনাদেরকে করতে হবে।
সিইসি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা যদি সিদ্ধান্ত দেন যে তার পক্ষে নির্বাচন পরিচালনা করা সম্ভব নয়, তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে মূল্যায়ন করে কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করে দিতে পারবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা যদি মনে করেন নির্বাচন তাঁর নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত, তাহলে তিনি কমিশনে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সুপারিশ করবেন। কমিশনের কাছে তাঁর যুক্তি যথাযথ মনে হলে পুরো উপজেলার নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ছাড়াও নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, আগামী ১৮ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে ১২৯টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ১০ মার্চ হবে প্রথম ধাপের ভোট।

Related posts