মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ ♦ ৪ পৌষ ১৪২৫

Select your Top Menu from wp menus

ছাত্রদল নেতা পলাশ হত্যা মামলায় ৯ জনের যাবজ্জীবন

স্টাফ রিপোর্টার: যশোর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কবির হোসেন পলাশ হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার রায়ে ৯ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- প্রদান করেছে আদালত। একইসাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১বছর করে সশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। আজ (৩০ অক্টোবর) মঙ্গলবার খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ রব হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন।

দ-প্রাপ্ত আসামীরা হলেন, যশোর শহরের ষষ্ঠিতলা পাড়ার তরিকুল ইসলাম, চাঁচড়া রায়পাড়ার প্রিন্স ওরফে বিহারী প্রিন্স, গাড়িখানা রোডের জাহিদুল ইসলাম ওরফে কালা মানিক, ঘোপ বৌ বাজার এলাকার রবিউল শেখ, ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের সজল, টুটুল গাজী, বেজপাড়ার টিবি ক্লিনিক এলাকার ফয়সাল গাজী, রেলগেট পশ্চিমপাড়ার শহিদুল ইসলাম খান ওরফে সাইদুল, বাঘারপাড়া উপজেলার বহরমপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শহরের ষষ্ঠিতলা পাড়ার ভাড়াটিয়া শহিদুল ইসলাম ।

দ-প্রাপ্তদের মধ্যে পলাতক রয়েছেন, প্রিন্স ওরফে বিহারী প্রিন্স, জাহিদুল ইসলাম ওরফে কালা মানিক, রবিউল শেখ, শহিদুল ইসলাম খান ওরফে সাইদুল, শহিদুল ইসলাম। অন্যরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, পূর্ব বারান্দিপাড়া কবরস্থান রোডের রাজ্জাক ফকির ও যশোর শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে আল মাসুদ রানা ওরফে মাসুদ।

আইনজীবী এনামুল নথির বরাত দিয়ে জানান, ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় শহরের ঈদগাহ মোড় এলাকায় অবস্থান করছিলেন ছাত্রদল নেতা পলাশ। এসময় মোটর সাইকেল যোগে আসা সন্ত্রাসীরা পলাশকে গুলি ও বোমা মেরে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে পলাশকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ১৩ ডিসেম্বর নিহত পলাশের বোন ফারহানা ইয়াসিমন ১১জনের নাম উল্লেখ করে যশোর কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করেন।

আইনজীবী জানান, চলতি বছরের ১৬ মে খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা ও বিস্ফোরণ মামলার চার্জ গঠন করা হয়। ওই দিন ২১ মে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করে আদালত। তারপর থেকেই সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মঙ্গলবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করে আদালত।

 

 

Related posts