বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

খুলনার ২২টি খাল অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে: মেয়র

স্টাফ রিপোর্টার: খুলনায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, নৌবাহিনীর তত্বাবধানে পাঁচশত ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে সুন্দরবন এলাকার ৮৩ টি খাল সংস্কার করা হচ্ছে। খুলনার ময়ুর নদীর সাথে যুক্ত ২২টি খাল অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে। 

মেয়র বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির বিশেষ দিক চিংড়ি চাষ ও রপ্তানি। অপরিকল্পিত চিংড়িচাষ করার পরিবর্তে পরিকল্পিত চাষ ও জলাশয়ের প্রকৃত মালিকদের মাধ্যমে মাছচাষ নিশ্চিত করতে অতীতের ন্যায় চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ ইকবাল হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক রণজিৎ কুমার পাল, কেএমপির উপপুলিশ কমিশনার এসএম ফজলুর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিচুর রহমান এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক পংকজ কান্তি মজুমদার। অনুষ্ঠানে স্বাগত জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আবু ছাইদ। অনুষ্ঠানে মৎস্যচাষী সমিতি, মৎস্যজীবী সমিতি ও মৎস্য খাদ্য বিক্রেতা সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।           

এর আগে মেয়র নগরীর শহিদ হাদিস পার্ক পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে নেতৃত্বে দেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের জিডিপির ৩.৫৭ শতাংশ, মোট কৃষিজ উৎপাদনের ২৫ শতাংশ ও প্রাণিজ আমিষের ৬০ শতাংশ মৎস্যখাত যোগান দিচ্ছে। দেশের ১১ শতাংশ জনগোষ্ঠী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এ খাতের সাথে জড়িত। বর্তমানে বাংলাদেশ মাছ উৎপাদানে উদ্বৃত্ত। দেশে দৈনিক মাথাপিছু ৬০ গ্রাম মাছের চাহিদার বিপরীতে ৬২.৫০ গ্রাম সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ সারাবিশে^ তৃতীয়, বদ্ধ পানিতে মাছচাষে পঞ্চম ও তেলাপিয়া উৎপাদনে চতুর্থ। ২০১৭-১৮ অর্থ-বছরে বাংলাদেশ ৭৩ হাজার একশত ৭১ মেট্রিক টন মৎস্যজাত দ্রব্য রপ্তানি করে চার হাজার দুইশত ৫০ কোটি টাকার সমপরিমান বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে। ২০১৮ সালে খুলনা জেলায় মাছের উৎপাদন ছিল ৬২ হাজার দুইশত ২৯ মেট্রিক টন যা চাহিদার তুলনায় ছয় হাজার সাতশত ৬৭ মেট্রিক টন বেশি। 

Related posts