মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯ ♦ ১ শ্রাবণ ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

আলোচিত যুবলীগ নেতা বিথার হত্যা মামলার চার্জ গঠন

স্টাফ রিপোর্টার:যুবলীগের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)’র ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইকবাল বিথার হত্যা মামলার চার্জ গঠন করেছে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত। এ হত্যাকান্ডের প্রায় ১০ বছর পর চার্জ গঠন হলো।

বৃহস্পতিবার (২১মার্চ) মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান পপলুসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এর মাধ্যমে আলোচিত এই হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হলো।

মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন জীবন ওরফে শবে কাদির, লিয়াকত আলী শিকদার, মনিরুজ্জামান মাসুদ ওরফে তোতা মাসুদ, একরাম হোসেন ওরফে সিয়াম ওরফে আকাশ এবং সুমন হোসেন ওরফে রাজু। আগামী ১৫ এপ্রিল সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য্য করা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের ১১ জুলাই রাতে নগরীর মুসলমানপাড়ার মেট্রোপলিটন ক্লিনিকের সামনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন ইকবাল বিথার। এ ঘটনায় তার শ্যালক মো. রফিউদ্দিন বাদি হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে ১২ জুলাই সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলাটি প্রথমে খুলনা সদর থানা পুলিশ এরপর নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্ত করে। এক পর্যায়ে মামলাটি ২০১০ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং সেলের পর্যবেক্ষণ সেলে যায়। ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাংসদ মিজানুর রহমান মিজান, যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম মেজবাহ হোসেন বুরুজ, মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান পপলুসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগপত্রটি গ্রহণ না করে অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি সাংসদ নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান মিজান। ওই বছরের ১ আগস্ট সিআইডি’র সম্পূরক চার্জশিটে সাংসদ মিজান ও যুবলীগ নেতা বুরুজের নাম বাদ দেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন মামলার বাদি। আদালত এই আদেশ খারিজ করে দিলে বাদি পক্ষ উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। সেই থেকে বার বার চার্জ গঠনের দিন পাল্টানো হচ্ছে।

খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর কাজী সাব্বির আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহে বাদি পক্ষ উচ্চ আদালতে তাদের রিভিউ আবেদন তুলে নেওয়ার কথা জানান। বৃহস্পতিবার আসামি আনিসুর রহমান পপলুর পক্ষে চার্জগঠন থেকে নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করেন তার আইনজীবী। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আসামির আবেদন নাকচ করে দেন এবং জীবিত ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

তিনি জানান, সর্বশেষ চার্জশিটে এই মামলার আসামি ছিলো সাত জন। এর মধ্যে মাসুদ রানা নামের একজনকে ২০১৪ সালের ৩০ অক্টোবর কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

Related posts