মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ ♦ ৪ ভাদ্র ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

‘আমি শোকাহত ও অভিভূত’

স্টাফ রিপোর্টার: মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর ‘১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর’ পরিদর্শন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। তাঁর সঙ্গে বিভাগীয় কমিশনার ও পুলিশ কার্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গণহত্যা জাদুঘরে বিভাগীয় কমিশনারকে স্বাগত জানান জাদুঘর ট্রাস্টের সভাপতি প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন, ট্রাস্টি ড. চৌধুরী শহীদ কাদের, ট্রাস্টি শংকর কুমার মল্লিক, জাদুঘর সুহৃদ সমাবেশের সভাপতি অমল কুমার গাইন ও জাদুঘরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। বিভাগীয় কমিশনার জাদুঘরের প্রত্যেকটি গ্যালারি ঘুরে ঘুরে দেখেন। জাদুঘরে ১৯৭১ সালের পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্যাতনের চিত্র ও নিদর্শন দেখে বিভাগীয় কমিশনার বলেন “আমি শোকাহত ও অভিভূত”। এই জাদুঘর খুলনার অন্যতম দ্রষ্টব্য বলে মন্তব্য করেন এবং এর বিকাশে প্রশাসন সবধরণের সহযোগিতা করবে বলে আশ^াস দেন। তিনি জাদুঘরের নিদর্শন সংগ্রহের ক্ষেত্রেও সকল ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ^াস প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনা শহরে বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের উদ্যোগে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়। জাদুঘরে ১৯৭১ সালের গণহত্যা-নির্যাতনের নানা দু®প্রাপ্য দলিল, নিদর্শন, স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষিত আছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্ববধানে গণহত্যা জাদুঘরের স্থায়ী ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় খুলনা শহরের ৪২৪/৬, সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা (২য় ফেইজ)- এ জাদুঘর ০২ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যক্রম শুরু করে।

 

 

Related posts