বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ | ৭ কার্তিক ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

আগরতলায় বঙ্গবন্ধু জাদুঘর, শহীদ মিনার ও আমদানি-রপ্তানিতে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর যোগের প্রস্তাব

এসবিনিউজ ডেস্ক:  আগরতলায় বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ও শহীদ মিনার স্থাপন ও ভারতের সাথে আমদানি-রপ্তানিতে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর সংযোগের প্রস্তাব কার্যকর করতে কাজ করবে বাংলাদেশ-ভারত।
বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সোমবার সন্ধ্যায় ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের সাথে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে বৈঠকে এসব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জনানো হয়।
প্রায় আড়াই ঘন্টাব্যাপী আন্তরিক এ বৈঠকের শুরুতে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী তার প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্নেহের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘তিনি আমাকে ত্রিপুরা সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধের জন্য বলেছিলেন, আমরা তা বাস্তবায়ন করেছি।’
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরার মানুষ শুধু রাজ্য নয়, বাংলাদেশীদের জন্য খুলে দিয়েছিল তাদের মনের দুয়ার। সে সময় ত্রিপুরার লোকসংখ্যা ছিল ১৫ লাখ, সেখানে বাংলাদেশী শরণার্থীর সংখ্যাও ছিল ১৫ লাখ। বাংলাদেশ তাই সমগ্র ভারতের সাথে ত্রিপুরার অবদানের কথাও চিরদিন স্মরণ করবে।’
এসময় আগরতলা-আখাউড়া রেল যোগাযোগ, বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল যান চলাচল ব্যবস্থা, ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্ত-পারাপার পণ্যপরিবহন সহজীকরণ, সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনার বিষয়ে দ্রুত অগ্রগতির ওপর জোর দেন তারা। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আগরতলায় একটি বঙ্গবন্ধু জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ও আগরতলায় বাংলাভাষাভাষীর সংখ্যাধিক্যের দিকে নজর দিয়ে একটি শহীদ মিনার স্থাপনে তথ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব।
এর আগে সকালে আগরতলা-আখাউড়া রেল যোগাযোগ কাজের অগ্রগতি দেখতে নিশ্চিন্তপুর সীমান্ত পরিদর্শন করেন তথ্যমন্ত্রী। কর্মকর্তারা আগামী বছরের শেষ নাগাদ একাজ সম্পন্ন হবে বলে জানান।
শুভেচ্ছা স্মারক বিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে বঙ্গবন্ধুর লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচার ইংরেজি ভার্সন এবং নৌকা স্মারক উপহার দেন।
তথ্যমন্ত্রীর সাথে অতিরিক্ত সচিব ও চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম, আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনার কিরিটি চাকমাসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর সাথে তার মুখ্য সচিব ড. ভেঙ্কটেশওয়ারলু, অতিরিক্ত মুখ্যসচিব কুমার অলক ও প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Related posts