বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯ | ১ কার্তিক ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না : হাছান মাহমুদ

এসবিনিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগ কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না এ কথা দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিএনপিকে দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের প্রতিহিংসার রাজনীতির পথ পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ বিরোধী দলমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে এবং প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে- বিএনপি মহাসচিবের সাম্প্রতিক এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন তথ্যমন্ত্রী।
তিনি শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণ শাখা কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে এ দেশে জিয়াউর রহমানই প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেন এবং বেগম জিয়া এটাকে চরম পর্যায়ে নিয়ে যান।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট উপমহাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের হত্যাকান্ডের দিনে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সাল থেকে ১৫ আগস্টে তার জন্মদিন পালন করছেন। কেবল প্রতিসিংসার কারণে তিনি তার জন্মদিন পরিবর্তন করেছেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এবং তার ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে তদানীন্তন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যা ও আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বহীন করতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন শাহ এ এম এস কিবরিয়া ও আহসানুল্লাহ মাস্টারসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতৃবৃন্দ বোমা হামলায় নিহত হয়েছেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির ওপর হামলার এমন কোন ঘটনা ঘটেনি।
আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, এ ঘটনাগুলেঅই প্রমাণ করে বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এজন্য তাদের জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।
সোহরাওয়ার্দীকে ‘গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন’ আখ্যায়িত করে রাজনীতিতে তার অবদানের কথা স্মরণ করে হাছান বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্জনে তার নাম যুক্ত রয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বাঙালি জাতিকে উচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছিলেন। আর তাঁর কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন করছেন।
ড. হাছান বলেন, সোহরাওয়ার্দী তখন বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক বিচক্ষণতা দেখে ঘনিষ্ঠ হয়েছিলেন।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সারাহ্ বেগম কবরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম বদি, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, সংগীত শিল্পী রফিকুল আলম এবং অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস।

Related posts