রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৯ ♦ ২ ভাদ্র ১৪২৬

Select your Top Menu from wp menus

‘অনলাইন রিপোর্টিংয়ের আওতায় কমিউনিটি ক্লিনিক’

স্টাফ রিপোর্টার: ‘শেখ হাসিনার অবদান কমিউনিটি ক্লিনিক বাঁচায় প্রাণ’ এই গ্লোগানকে সাথে নিয়ে খুলনায় রোববার (২৮এপ্রিল) কমিউনিটি ক্লিনিকের ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত হয়। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে।
নগরীর শামসুর রহমান রোডস্থ স্কুল হেলথ ক্লিনিক কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নিশ্চিত কুমার পোদ্দার। সভাপতিত্ব করেন খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মস্তিষ্কপ্রসূত এই কমিউনিটি ক্লিনিক আজ সারা বিশে^র জন্য এক রোল মডেল। দেশব্যাপী ১৩ হাজার ৭৪০টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে একেবারে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। ১৩ হাজার ৮৮৯ জন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নিয়োগ দেয়া হয়েছে যার মধ্যে ৫৪ শতাংশ নারী। কমিউনিটি ক্লিনিকে ৮২ লাখ ২০ হাজার ৯৭০ জনকে প্রসবপূর্ব এবং ২৪ লাখ ১১ হাজার ৫৩৬ জনকে প্রসব সেবা দেয়া হয়েছে। চার হাজারের অধিক কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাভাবিক প্রসবসেবা কার্যক্রম চালু আছে এবং এ যাবত ৭৭ হাজারের অধিক স্বাভাবিক প্রসব সম্পন্ন হয়েছে। এসব সেবার ফলে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার উল্লেখ্যযোগ্য হারে কমে গেছে। মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য পরিচর্চা ছাড়াও স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরামর্শ প্রদান, টিকা দান, দীর্ঘ মেয়াদী ডায়রিয়া, পুষ্টি শিক্ষা, স্তন ও জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদানসহ প্রায় ১৬ ধরণের সেবা এই কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে দেয়া হয়। বছরের প্রায় দুইশ কোটির অধিক টাকার ৩০ পদের ওষুধ কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়। তাছাড়া সবগুলো কমিউনিটি ক্লিনিককে অনলাইন রিপোর্টিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে। ফলে সেবা প্রদান কার্যক্রম মনিটরিং করা অনেক সহজ হয়েছে।
উল্লেখ্য, খুলনা বিভাগে এক হাজার ৬৫৯টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়। প্রতি ছয় হাজার জনের জন্য একটি কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও সঠিক তথ্যের অভাবে অনেকেই কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে যান না। অনুষ্ঠানে বক্তারা কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য যার যার অবস্থান থেকে প্রচার বাড়ানোর আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক মোঃ শরিফুল ইসলাম, খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ আব্দুল আহাদ এবং সিভিল সার্জন ডাঃ এএসএম আব্দুর রাজ্জাক। স্বাগত জানান খুলনাস্বাস্থ্য বিভাগের উপপরিচালক ডাঃ সৈয়দ জাহাঙ্গীর হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এ্যাসিস্ট্যান্ট চীফ মোঃ জোবায়ের হোসেন।
পরে কেক ও ফিতা কেটে দিবসটির উদ্বোধন করা হয়।

Related posts